রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় সকাল থেকেই উত্তাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের দাবিতে রাতেও ক্যাম্পাসে সরব দেখা গেছে আন্দোলনকারীদের।

সোমবার সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদী গান-কবিতায় সমাবেশ এবং মোমবাতি মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে অবস্থান নিতে দেখা যায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।

সবার একটাই দাবি, ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় যারাই জড়িত থাক তাদের চিহ্নিত ও দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। এ সময় তারা ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।

টিএসসি থেকে ছাত্র জোটের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল বের করে শামসুন্নাহার হলের সামনে প্রদক্ষিণ করে ভিসি চত্বরসহ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। মশাল মিছিলে ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় নেতৃত্বে দেন।

অন্যদিকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রতিবাদী গানে কবিতায় সমাবেশের আয়োজন করেছে ‘পালাবদল’ নামে ২০১৩/১৪ সেশনের ঢাবি শিক্ষার্থীরা। সেখানে একে একে বিপ্লবী ও প্রতিবাদী গান, কবিতা আবৃত্তি করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর নেতৃত্বে মোমবাতি জ্বালিয়ে নিপীড়ন বিরোধী পদযাত্রা ও আলোক প্রজ্বলন মিছিল ডাকসু চত্বর থেকে বেরিয়ে শহীদ মিনারে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

এ সময় গোলাম রাব্বানী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সেরকম বাংলাদেশও আইন সংস্কার করে বিধান প্রণয়ন দরকার। -ডেস্ক