(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর উপজেলার বিরলের ৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ এখন অভিভাবক বিহীন হওয়ায় জনগনের ভোগান্তির শেষ নেই। ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়রম্যান হত্যাসহ ৫টি মামলায় গত ১৮ মে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে যাওয়ার পর হতে অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে এ ইউনিয়নটি। জনগনের দুর্ভোগ কমাতে জরুরী ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য ভুক্তভোগিরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, বিরল উপজেলার ৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী যুবদল নেতা নুর ইসলাম বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত হওয়ার পরে একটি হত্যা মামলা, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তীতে সদর উপজেলার কর্ণাই গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাটসহ অগ্নি সংযোগের ঘটনার মামলা, বিএনপি জোটের আহ্বানে হরতাল অবরোধে গাড়ীতে অগ্নি সংযোগের ঘটনাসহ বিভিন্ন মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন আতœগোপন করে থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদে জনগনের সেবা দিয়ে আসছিল। সেবামুলক কার্যক্রমের মধ্যে বিশেষ করে চেয়ারম্যানের বিভিন্ন সনদ এর প্রয়োজন হয় জনগনের। গত প্রায় ১ মাস ধরে ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ অভিভাবকহীন হয়ে পড়ায় এখন জনগনকে চরম দুর্ভোগের স্বীকার হতে হচ্ছে। নাগরিত্ব, প্রত্যায়ন পত্র, ওয়ারিশ সনদ ইত্যাদি সনদ সংগ্রহ থেকে জনগন বঞ্চিত রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের সকল প্রকার উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড একেবারে বন্ধ রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শুধুমাত্র অফিসিয়াল কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল খায়রুম জানান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন না করার কারনে এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। চেয়ারম্যান গ্রেফতার হওয়ার কারণসহ চেয়ারম্যান নির্বাচনের বিষয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনা পাওয়া গেলেই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এলাকার সচেতন মহল জরুরী ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার জন্য জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। –(আতিউর রহমান)