(দিনাজপুর২৪.কম) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নজির আহমেদ সুমন নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি চিকিৎসক শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা ও ডাকাত দলের প্রধান বলে দাবি করছে পুলিশের এই এলিট ফোর্সটি। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি অস্ত্র ও ২৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। নিহত নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালু (২৬) সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডের নতুন পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে।

তিনি জানান, সীতাকুণ্ড থানার উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় র‌্যাব-৭ এর টহল দলের সঙ্গে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময় হয়। এতে ডা. শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা ডাকাত দলের প্রধান নজির আহমেদ নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গেলো বৃহস্পতিবার রাতে ডা. শাহ আলমকে হত্যার পর লাশ রাস্তার পাশে জঙ্গলে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার দিন রাতে শাহ আলম যে লেগুনায় করে বাসায় ফেরার পথে খুন হন, সেই গাড়ির চালককে গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব কর্মকর্তারা এ দাবি করেছেন। পরে লাশ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।

ডা. শাহ আলম দীর্ঘ ৩০ বছর সৌদি আরবের মদিনা হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর দেশে এসে সীতাকুণ্ডে নিজ গ্রামে শিশুদের জন্য ‘চাইল্ড কেয়ার’ নামে একটি ক্লিনিক চালু করেন। চিকিৎসক শাহ আলম কুমিরায় গরিবের ডাক্তার নামে পরিচিত ছিলেন।

তদন্তে নেমে র‌্যাব জানতে পারে, কুমিরায় নিজের চেম্বার শেষ করে বৃহস্পতিবার রাতে চান্দগাঁওয়ের বাসায় ফেরার জন্য একটি লেগুনায় উঠেছিলেন শাহ আলম। পথে তাকে খুন করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে দেয় যাত্রীবেশে গাড়িতে থাকা ছিনতাইকারীরা।-ডেস্ক