-পুরনো ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চামড়া শিল্পে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর সোনালী ব্যাংক ১০০ কোটি, জনতা ব্যাংক ১৮০ থেকে ২০০ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক ১৮৫ কোটি এবং রূপালী ব্যাংক ১৫৫ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

কোরবানির আগে চামড়া ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৫ই জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাত্র ২ শতাংশ এককালীন জমা দিয়ে চামড়ার ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে। এ সুবিধা পেতে হলে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। ব্যাংকগুলো নিজেরাই এ ঋণ পুনঃতফশিল করতে পারবে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে না।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঋণগ্রহীতাদের আওতার বাইরে কোনো কারণে ঋণ শ্রেণিকৃত হয়ে থাকলে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল থাকলে তা পুনঃতফসিল সুবিধা দেয়া যাবে। কেস-টু-কেস ভিত্তিতে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ তলবি ও চলমান ঋণ সর্বোচ্চ ৬ বছর মেয়াদে এবং মেয়াদি ঋণ সর্বোচ্চ ৮ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে। এছাড়া কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া কেনার জন্য নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্ট গ্রহণের শর্ত শিথিল করা যাবে।

চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিল সুবিধা দিলেও তা তেমন কাজে আসবে না।

কারণ আগের ঋণের ২ শতাংশ এককালীন পরিশোধ করে পুনঃ তফসিলের সামর্থ্য নেই অনেকের। তাই আগের ঋণ ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর, বিগত তিন বছরের সুদ মওকুফ এবং ৩ শতাংশ সুদে ৫০০-৬০০ কোটি টাকার ক্যাশ ক্রেডিটের ব্যবস্থা করতে হবে। তা নাহলে আড়তদার ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের থেকে চামড়া কিনতে অর্থসংকটে পড়ার আশঙ্কা থাকবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সরকার থেকে ভর্তুকি মিললেই শুধু এ খাতে সুদ মওকুফ ও ৩ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে। -ডেস্ক