(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) চাঁদের বুকে নেমেছে চীনের চন্দ্রযান চ্যাং’ই-ফাইভ মুন। গেল চার দশকের মধ্যে চাঁদের নমুনা সংগ্রহে এ ধরনের অভিযান এবারই প্রথম। বটিক চ্যাং ফাইভ মিশনটি পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য শিলা এবং ধুলো নমুনা সংগ্রহ করেছে। যা ছিলো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আর এটি যদি হয়, ৪৪ বছরের মধ্যে বেইজিং এর জন্য বড় অর্জন এই চন্দ্রভিযান।

বুধবার বেইজিংর স্থানীয় সময় ৪টা ৫৩ মিনিটে চাঁদে অবতরণ করে চন্দ্রযান চ্যাং ফাইভ। এদিন চাঁদের নুড়িপাথর ও মাটির নমুনা সংগ্রহ, ড্রিলিং করে যানটি। প্রথমবারের মতো চাঁদের স্বয়ংক্রিয় নমুনা সংগ্রহ করায় এর মাধ্যমে চাঁদের উৎপত্তি, গঠন সম্পর্কে জানতে এবং আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা বুঝতে বিজ্ঞানীদের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন-সিএনএসএ।

শনিবার চন্দ্রযানটি ১১২ ঘণ্টার মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে। মঙ্গলবার চাঁদের নিকট প্রান্তে অবতরণ করে চ্যাঙ’ই ফাইভ মুন। Zhang Hongtai/ ঝাং হংকটাই, চীন এরোস্পেস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্পোরেশন-সিএএসসি ডিন, চীন মহাকাশ প্রযুক্তি একাডেমীর। ” চাঁদের উপরিভাগে অবতীর্ণ হয়েছে চ্যাঙই ফাইভ। এটি চন্দ্রযান অভিযানের প্রথম পদক্ষেপ। সেখানে ড্রিলিং করে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে’।

বেইজিং এরোস্পেস ফ্লাইট কন্ট্রোল সেন্টার এর উপ-পরিচালক হি জুন বলেছেন, ’আমরা এই মিশনের আগে দু’বার অবতরণ করেছি। তবে এবার ল্যান্ডার ইউতু চন্দ্র রোভারের চেয়ে ভারী ছিল। তাই লক্ষ্য সফল হয়েছে।

৪৪ বছরে এটি বড় অর্জন চীনের। যানটি পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করছে। নমুনা সংগ্রহ করে চন্দ্রযানটি সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরতে পারলে বিশেষ তালিকায় স্থান পাবে বেইজিং। এই তালিকায় এত দিন ছিল কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নাম।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

চাঁদের বুকে নেমেছে চীনের চন্দ্রযান চ্যাং’ই-ফাইভ মুন। গেল চার দশকের মধ্যে চাঁদের নমুনা সংগ্রহে এ ধরনের অভিযান এবারই প্রথম। বটিক চ্যাং ফাইভ মিশনটি পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য শিলা এবং ধুলো নমুনা সংগ্রহ করেছে। যা ছিলো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আর এটি যদি হয়, ৪৪ বছরের মধ্যে বেইজিং এর জন্য বড় অর্জন এই চন্দ্রভিযান।

বুধবার বেইজিংর স্থানীয় সময় ৪টা ৫৩ মিনিটে চাঁদে অবতরণ করে চন্দ্রযান চ্যাং ফাইভ। এদিন চাঁদের নুড়িপাথর ও মাটির নমুনা সংগ্রহ, ড্রিলিং করে যানটি। প্রথমবারের মতো চাঁদের স্বয়ংক্রিয় নমুনা সংগ্রহ করায় এর মাধ্যমে চাঁদের উৎপত্তি, গঠন সম্পর্কে জানতে এবং আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা বুঝতে বিজ্ঞানীদের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন-সিএনএসএ।

শনিবার চন্দ্রযানটি ১১২ ঘণ্টার মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে। মঙ্গলবার চাঁদের নিকট প্রান্তে অবতরণ করে চ্যাঙ’ই ফাইভ মুন। Zhang Hongtai/ ঝাং হংকটাই, চীন এরোস্পেস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্পোরেশন-সিএএসসি ডিন, চীন মহাকাশ প্রযুক্তি একাডেমীর। ” চাঁদের উপরিভাগে অবতীর্ণ হয়েছে চ্যাঙই ফাইভ। এটি চন্দ্রযান অভিযানের প্রথম পদক্ষেপ। সেখানে ড্রিলিং করে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে’।

বেইজিং এরোস্পেস ফ্লাইট কন্ট্রোল সেন্টার এর উপ-পরিচালক হি জুন বলেছেন, ’আমরা এই মিশনের আগে দু’বার অবতরণ করেছি। তবে এবার ল্যান্ডার ইউতু চন্দ্র রোভারের চেয়ে ভারী ছিল। তাই লক্ষ্য সফল হয়েছে।

৪৪ বছরে এটি বড় অর্জন চীনের। যানটি পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করছে। নমুনা সংগ্রহ করে চন্দ্রযানটি সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরতে পারলে বিশেষ তালিকায় স্থান পাবে বেইজিং। এই তালিকায় এত দিন ছিল কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নাম।