(দিনাজপুর২৪.কম) নির্বাচনী বিরোধের জের ধরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর কালু মুন্সির হাটে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিতে আহতরা হচ্ছেন-মো. রাশেদ, আবদুল কুদ্দুস ও মো. এমদাদ, রাসেল, নাসির উদ্দিন, মনির হোসেন ও ফারুক।
এদের মধ্যে নানুপুর এলাকার খোরশেদ আলমের পুত্র মো. রাশেদ ও সৈয়দ ওসমান জামান কাঞ্চনের পুত্র এমদাদ চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, নৌকা প্রতীক পেয়ে মহাজোট প্রার্থী তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী সমর্থকরা আপেল প্রতীক পাওয়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলামের সমর্থনকারী উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হকের বাড়িতে হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে সমর্থকদের নিয়ে নানুপুর বাজারে পথ সভা করেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম।

সংঘর্ষ চলাকালে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিন মুহুরীর গাড়ি ভাঙচুর করে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সমর্থকরা। এরপর শুরু হয় গোলাগুলি। এতে দু‘পক্ষের ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে এদেরকে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরমধ্যে চিকিৎসার পর চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও রাশেদ ও এমদাদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) বাবুল আকতার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় সাত ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ২ ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় এষনও পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় মামলা করতে আসেনি বলে জানান তিনি। -ডেস্ক