মনোরঞ্জন মোহন্ত  (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর ঘোড়াঘাট ভিজিডি কার্ডের তালিকায় অনিয়ম দুনীতির মধ্যে বিতরন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  ১ নং বুলাকিপুর ইউনিয়নে ৬ শত ২০টি ২ নং পালশা ইউনিয়নে ৫শ ৪০ টি ৪ নং ঘোড়াঘাট ইউনিয়নে ৩ শ ৮৭ টি ৩ নং সিংড়া ইউনিয়নে ৭ শত ৯০ টি ভিজিটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। ভিজিডি কার্ড যারা পাওয়ার কথা তারা পেল না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও উপজেলার ৩ নং শিংড়া ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য লাইজুর রহমান অনিয়ম ও দুর্নীতি করে মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক বাছাই করা দুঃস্থ পরিবারদের নাম বাদ দিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে ইউনিয়নের বিত্তশালী ও স্বাবলম্বী ব্যক্তিদের নামে ভিজিডি কার্ডের তালিকা প্রণয়ন করেছেন। এ ব্যাপারে উক্ত ওয়ার্ডের সাতপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবর ৫ ফেব্র“য়ারী ২০১৭ ইং তারিখে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগ দাখিলের ১ মাস অতিবাহিত হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি উক্ত কর্মকর্তা। হাফিজুর রহমানের অভিযোগে জানা যায়, ২০১৭-১৮ চক্রের ভিজিডি কার্ডভোগী ওয়ার্ড ভিত্তিক ক্ষুদ্র দলের মাধ্যমে দুঃস্থ পরিবার বাছাই করে ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেয়া হয়। ক্ষুদ্র দল থেকে বাছাই করা দুঃস্থ মহিলাদের মূল্যায়ন না করে এলাকার বিত্তশালী ও স্বচ্ছল ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরে জমা দিয়েছেন। এদিকে অভিযোগকারী জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করা হলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তা আমলে নেননি। বিত্তশালী ব্যক্তিদের নামের তালিকায় রয়েছে, গোবিন্দপুর গ্রামের ক্রঃনং-৩৫০- ফেতনা আরা, ৩৫১-শাহার বানু, ৩৫৩-সুমি আক্তার, ৩৫৪-সেফালী খাতুন,৩৫৬-আমেনা খাতুন,৩৫৭-সার্জিনা খাতুন,৩৫৮-ফুলজান বেগম,৩৬২-রেখা খাতুন,৩৬৩-সাহানারা বেগম,৩৬৪-শেফালী রানী,৩৪৪-কল্পনা খাতুন,৩৩৯-রেহেনা খাতুন,৩৪০-আকতারা খাতুন, ৩৪৬ ফেরদৌসী খাতুন,৩৬৫-মলিদা খাতুন, ৩৬৬-মিনারা খাতুন,৩৭৩-আনেছা বেগম, ৩৭৪-তানজিলা আক্তার, ৩৭৬ ফেনসি, ৩৮২ সেলিনা খাতুন, ৩৮৪ তোফেন বেগম, ৩৯৬-মমতাজ বেগম, ৩৯৭ হেনা বেগম, ৩৬১-শাহাজাদী বেগম, ৩৭২-আফরুজা বেগম। এসব বিত্তশালী মহিলাদের নিকট থেকে ইউপি সদস্য লাইজুর রহমান ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে সেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে তাদের নামে কার্ড তৈরী করে দিয়েছেন। উক্ত গ্রামের অসহায় দুস্থ মহিলারা টাকা দিতে না পারায় তাদের নাম ভিজিডি কার্ডে নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বলে ভিজিডি কার্ড পাওয়ার যোগ্য মহিলাদের অভিযোগ। সরেজমিনে তদন্ত উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করছে এলাকা বাসি।