মোঃ আফাজাল হোসেন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর২৪.কম)  বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের সাথে সুকৌশলে প্রতারণা করে চলছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। (বি,এম,ডি,এ) ঘোড়াঘাট এলাকায় বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকুপগুলো কৃষকের নিজেদের টাকা দিয়ে স্থাপন করলেও বিএমডিএ-কে সেচ চার্জ দিয়ে জমিতে পানি দিতে হয়। এদিকে বিএমডিএ সেচ চার্জের টাকা নিয়েও বিএমডিএ পরিচালিত গভীর নলকুপগুলোর যান্ত্রিক যে কোন ত্র“টিতে যেমন ম্যাগনেট পুড়ে গেলে ট্রান্সফরমান বিকল হলে অথবা বিদ্যুৎ খুটিতে উঠানো বা নামানোর প্রয়োজন হলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা বজ্রপাতের কারনে মিটার নষ্ট হলে, পাইপ লাইন  ও পাম্প ঘরে ফাটল দেখা দেয়া সহ যে কোন সংস্কার কাজ কৃষকদের নিজ খরচেই করতে হয়। এ ব্যাপারে বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ কোন অর্থ ব্যয় করে না। তারা নিষ্ক্রিয় থাকে। সকল ক্ষেত্রে টাকা দেয় কৃষক। মাঝে থেকে পানি বিক্রি করে টাকা নেয় বিএমডিএ। অপর দিকে সরকার কৃষকদের মঙ্গল ভেবে কৃষি খাতে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিলেও কৃষি খাতে দেয়া সরকারী ভর্তুকির টাকা বিএমডিএ স্কীম এলাকার অপারেটর বা কৃষকরা পায় না। কৃষি ভর্তুকির সমুদয় অর্থই বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ কৌশলে ভোগ করে। কৃষি খাতে সরকার কোটি কোটি টাকা ভর্তুকী দিলেও তাকে কৃষকদের কোন সুফল হয় না। গভীর নলকুপগুলোর বিদ্যুৎ বিলের টাকা সেচ চার্জের নামে কৃষকদের কাছ থেকে নিয়ে বিএমডিএ বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করে। ফলে বিদ্যুৎ খাতে সরকারী ভর্তুকির কোটি কোটি টাকা কৃষকদের না দিয়ে বিএমডিএ আত্মসাৎ করে থাকে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের মোঃ সোহেল রানার অভিযোগে জানা যায়, চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর মৌজার গভীর নলকুপটি বরেন্দ্র কর্তৃক পরিচালিত। সোহেল রানা উক্ত গভীর নলকুপের অপারেটর হিসাবে নিয়োজিত আছেন। তিনি বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপরে উল্লেখিত দূর্ণীতির সব কর্মকান্ড স্বীকার করেন এবং তিনি নিজেও বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।