(দিনাজপুর২৪.কম) ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর লিতুল গগৈয়ের বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বোরবার। ২০১৭-য় কাশ্মীরের বদগামে এক কাশ্মীরি যুবককে গাড়ির বনেটে বেঁধে গ্রামে গ্রামে ঘুরিয়েছিলেন তিনি। বদগামের সেই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছিল তার নাম। প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সেই ঘটনায়। বিভাগীয় তদন্তের পর তার কোর্ট মার্শাল হয়। রোববারই ছিল সেই প্রক্রিয়ার শেষ দিন।

সেনাবাহিনী সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় একটি নিউজ পোর্টাল জানিয়েছে, শ্রীনগরের একটি হোটেলের ঘটনা গলার কাঁটা হয়ে রইল মেজরের। ২০১৮-র মে-তে জম্মু-কাশ্মীরের কর্তব্যরত থাকাকালীন অনলাইনে স্থানীয় একটি হোটেলের ঘর বুক করেন মেজর। সেই হোটেলে ওঠার পর এক তরুণী তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। কিন্তু হোটেল কর্মীরা তাকে মেজরের ঘরে ঢুকতে বাধা দেন। এর পরই হোটেল কর্মীদের উপর চড়াও হন মেজর। তাদের মারধর করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ ওঠে মেজরের বিরুদ্ধে। হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকেন। পুলিশ এসে গগৈ, তার গাড়ির চালক আর তরুণীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সেই ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে মেজরের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলে। যদিও মেজরের দাবি ছিল, ওই মহিলা তার সোর্স ছিলেন। তার সঙ্গে গোপন বৈঠক করতে হোটেলে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শেষে বিচারে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সেনাবাহিনীর আদালত।

সেনা সূত্রে খবর, মানব ঢালের ঘটনার পাশাপাশি হোটেলের ঘটনা নিয়েও তদন্ত চলছিল। মানবঢালের ঘটনার ক্ষেত্রে কোর্ট মার্শাল হয় মেজরের। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, হোটেলের এই ঘটনার জন্যই মেজরের পদোন্নতি আটকে যেতে পারে। তবে যে র‌্যাঙ্কে তিনি রয়েছেন সেই পদেই তিনি বহাল থাকবেন। -ডেস্ক