(দিনাজপুর২৪.কম)গাজীপুরে অপহরণের পর শিশু আলিফ হত্যার প্রধান আসামি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। নিহতের নাম জুয়েল আহম্মেদ সবুজ (২২)।

রোববার দিবাগত রাতে সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ি থানাধীন হরিণাচালা কাশিমপুর জেলখানা রোড এলাকায় ড্যানো ফ্যাক্টরির সামনে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

গাজীপুর র‌্যাব ১-এর কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ২৯ এপ্রিল কোনাবাড়ি থানাধীন হরিণাচালা এলাকার ফরহাদ হোসেনের ছেলে আলিফ হোসেনকে (৫) অপহরণের পর ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে জুয়েল আহম্মেদ সবুজ ও সাগর (২০)।

গত শনিবার সাগরকে গ্রেফতার করা হয় এবং ওই রাতেই শিশুটির নিজ বাড়ির তিন তলায় একটি ঝুটগুদাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার প্রধান আসামি সবুজ তার সঙ্গীদের নিয়ে কোনাবাড়ির জেলখানা রোডের একটি বস্তিতে অবস্থান করছে, এমন সংবাদে র‌্যাবের একটি দল তাকে ধরতে ওই এলাকায় যায়।

এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা র্যা বকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়ে সামনে এগিয়ে গেলে ওখানে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে জানতে পারে ওই মরদেহটি শিশু আলিফ অপহরণ ও খুনের ঘটনার প্রধান আসামি জুয়েল আহাম্মেদ সবুজের।

এ ঘটনায় কনস্টেবল ইদ্রিস ও নায়েক চান মিয়া আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, অপহরণের পর সবুজ আলিফের পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে আলিফের বাবা ওই টাকা দিতে রাজি হয় এবং মোবাইলে নির্দেশনা

অনুযায়ী গত শনিবার গাজীপুর মেট্রোনের পূবাইল এলাকায় যায়। সেখান থেকে সাগরকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা।

আটক সাগর জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানায়, গত কয়েক দিন আগে ফরহাদ হোসেনের ভাড়াটিয়া জুয়েল আহম্মেদ সবুজকে কারণবশত থাপ্পড় মারে। এর প্রতিশোধ নিতে জুয়েল আলিফ হোসেনকে অপহরণ করে তাদের বাড়ির তিন তলায় ঝুটগুদামে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।-ডেস্ক