(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, গায়ক, গীতিকার, সুরকার নানামুখী প্রতিভার খান আতাউর রহমান।  শৈশব থেকে আমৃত্যু বর্ণিল জীবনে রেখেছেন সৃষ্টিশীলতার সাক্ষর।  চলচ্চিত্র, আধুনিক ও দেশাত্মবোধক মিলিয়ে তিনি প্রায় ৫০০ গানের রচিয়তা, করেছেন বহু গানের সুর, দিয়েছেন কণ্ঠ। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার। আজ তার ২৩তম প্রয়াণ দিবস।

সংবাদপাঠক, নায়ক, গায়কও বলা যায়, কখনো গীতিকার, কখনো পরিচালক।  বহু রূপে নিজেকে করেছেন বর্ণিল, সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা সংস্কৃতি। শৈশব থেকেই সিনেমার সঙ্গে প্রেম। এই প্রেমের টানে বারবার বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢু মেরেছেন বোম্বে-করাচি।

পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাস অবলম্বনে উর্দুতে নির্মিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার নায়ক হয়ে স্বপ্নের জগতে অভিষেক, তখন তিনি আনিস নাম ধারণ করেন।

এদেশ তোমার আমার, ফিরে দেখাসহ বেশ কয়েকটি সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন আনিস ওরফে খান সাব।

১৯৬৭ সালে খান আতা নির্মাণ করেন বাংলার প্রথম জীবনীভিত্তিক সিনেমা ‘নবাব সিরাজোদ্দৌলা’, যার সুরকারও ছিলেন তিনি।

১৯৭০ সালে জহির রায়হানের নির্মিত বাংলার কালজয়ী সিনেমা ‘জীবন থেকে নেয়া’।  এতে খান আতার অভিনয়, গানের কথা ও সুর এখনো জীবন্ত।

মুক্তিযুদ্ধ আর যুদ্ধ পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে তিনি নির্মাণ করেন কালজয়ী সিনেমা ‘আবার তোরা মানুষ হ’।

১৯৭৫ সালে খান আতাউর রহমান প্রমোদ কর ছদ্ম নামে নির্মাণ করেন সুজন সখী।  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হোন খান সাব।  খান আতা পরিচালিত সবশেষ সিনেমার নাম এখনো অনেক রাত।