(দিনাজপুর২৪.কম)  বলিউড সুপারস্টার সালমান এখন কারাবন্দি। জোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ‘কয়েদি নম্বর ১০৬’। কুড়ি বছর আগে রাজস্থানে শুটিং করতে এতে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগে তাকে ৫ বছরের কারাদ- আর ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। আইনে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ৬ বছরের সাজার বিধান রয়েছে।
গতকাল আদালত থেকেই সরাসরি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় সালমান খানকে। ডাক্তারি পরীক্ষা হয় সেখানেই। আজ তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হবে আদালতে।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কারাগারে কোনও বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন না সালমান। থাকতে হচ্ছে সাধারণ অপরাধীর মতোই। জোধপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই এখন রয়েছে ধর্ষণে অভিযুক্ত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। তার সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রয়েছেন সালমন। দু’নম্বর ব্যারাকের দু’নম্বর সেলে রাখা হয়েছে তাঁকে। এই জেলে অবশ্য এর আগে তিন দফায় ১৮ দিন কাটিয়েছেন সালমান। যথাক্রমে ১৯৯৮, ২০০৬ এবং ২০০৭ সালে। সব ক’টি মামলাই হরিণ চোরাশিকারের।
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, কালো শার্ট, কালো সানগ্লাস, কঠিন মুখ। সালমান আজ (গতকাল) আদালতে এসেছিলেন দুই বোন অলবীরা এবং অর্পিতাকে নিয়ে। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ম্যাজিস্ট্রেট ঘোষণা করেন, সালমনকে দোষী সাব্যস্ত করছেন তিনি। সূত্রের খবর, রায় শুনে সানগ্লাস খুলে ফেলেন সালমন। চোখ মুছে আবার সেটা পরে নেন। পিঠে হাত রাখেন বোনেরা। সালমন একটা ট্যাবলেট খান। শোনা যাচ্ছে, ওটা ছিল অবসাদ কাটানোর ওষুধ। সাজা ঘোষণা হতেই আদালতে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠেন অর্পিতা। জড়িয়ে ধরেন দাদাকে। কেঁদে ফেলেন অলবীরাও। -ডেস্ক