মো. আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন মোল্লার পুত্র মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০) প্রোফাইটার মোঃ মোরসালিন এন্টারপ্রাইজ কয়লা বিক্রি ও ধারের ৪৭ লক্ষ ৫ শত ২৫ টাকা একই উপজেলার খলিল পুর সরদার পাড়া গ্রামের মৃত মোশাররফ আলী সরদার এর পুত্র মোঃ ওয়াকিল সরদার (৭০) প্রোফাইটার তিন ভাই একতা ব্রিক্স এর নিকট উক্ত টাকা পান। তিন ভাই একতা ব্রিক্স এর স্বত্তাধিকারী ওয়াকিল সরদার এর নিকট বহুবার ঘুরে পাওনা টাকা না পেয়ে অবশেষে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ওয়াকিল সরদার এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত-৫ (পার্বতীপুর) দিনাজপুর এ গত ২২/১০/২০২০ ইং তারিখে একটি মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং-২৫৯সি/২০। মোরসালিন এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্তাধীকারী আনোয়ার হোসেন এর আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায় তিন ভাই একতা ব্রিক্স এর মালিক ওয়াকিল সরদার এর সাথে কয়লা বিক্রির লেন দেন ছিল নগদ টাকা না দেওয়ায় আনোয়ারকে উক্ত চেকটি দেন ওয়াকিল সরদার। পাওনাদার আনোয়ারকে ওয়াকিল সরদার ১০/০৮/২০২০ ইং তারিখে ৪৭০০৫২৫ টাকার উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, ফুলবাড়ী শাখা দিনাজপুর হিসাব নং-০০১২২০০২১১১৫৭ এবং এর একটি চেক ইস্যু করেন। যাহার চেক নং-৯১৬৮৩০৭। উক্ত চেকটি আনোয়ার হোসেন ব্যাংকে জমা দিলে দেখা যায় ঐ হিসাব খাতে কোন টাকা নাই। ০২/০৯/২০২০ ইং তারিখে ডিস-অনারর হয়। ০৮/০৯/২০২০ ইং তারিখে প্রতিপক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়। লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ ১৪/০৯/২০২০। আনোয়ার হোসেন জানান, তিন ভাই একতা ব্রিক্স এর মালিক ৪৭,০০,৫২৫ টাকা আমাকে প্রদান না করে উল্টা আমার বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ প্রদান করেন। যাহা আমাকে হয়রানি ও টাকা না দেওয়ার কৌশল। তাই বাধ্য হয়ে টাকা আদায়ের লক্ষে আদালতে আইনের আশ্রয় নিতে হয়েছে। এ ব্যাপারে মোরসালিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধীকারী আনোয়ার হোসেন আইনের কাছে ন্যায় বিচারের দাবী করেছেন।