(দিনাজপুর২৪.কম) রাজধানীতে থাকা কেমিক্যাল গুদামগুলো সরানো হবে কেরানীগঞ্জে। এ জন্য তিন মাসের মধ্যে কেরানীগঞ্জে ৫২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়  রোববার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. এনামুর বলেন, চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা দেখভালের জন্য মন্ত্রণালয়ের ৬টি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশগুলো বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে ২০১০ সালের নিমতলীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যে ১৭টি সুপারিশ এসেছিল সেগুলোর সঙ্গে এর মিল রয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্প ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তাদের প্রতিবেদনগুলো যাতে যথাসময়ে আসে সে বিষয়েও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অগ্নিনির্বাপণের জন্য রাজধানীতে পৃথক পানির লাইন স্থাপন করা হবে। বিভিন্ন এলাকার পুকুর ও খালগুলো খনন করা হবে। চকবাজারের চুড়িহাট্টা মোড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নির্বাপণ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পানি পাননি। পরে তারা কেন্দ্রীয় কারাগার ও বিভিন্ন বাসা থেকে পানি এনেছেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসকে ২২০ কোটি টাকার অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসকে আরও আধুনিকায়ন করার জন্য শিগগির এক হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি দেওয়া হবে।

বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্নিষ্ট ১৮টি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান বলেন, অগ্নিনিরাপত্তা শুধু চকবাজার নয়, সারাদেশের জন্য দরকার। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে তদারকি বাড়াতে হবে। ত্রাণ সচিব শাহ কামাল বলেন, এটা কারও একার কাজ নয়। অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের কাজ। অবৈধভাবে যারা ব্যবসা করছেন তাদের উচ্ছেদ করতে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া হবে।-ডেস্ক