(দিনাজপুর২৪.কম)  ২২ মে, ২০১৫ ইং তারিখ সকাল ১০.৩০ থেকে ১১.৩০ পর্যন্ত লেবার রিসোর্স সেন্টার (এল আর সি) কর্তৃক “কৃষিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের বিকল্প চাই” নিশ্চিত করন বিষয়ক সংবাদ সম্মলনে গোপালগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবের সম্মলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মলনে “কৃষিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের বিকল্প চাই” নিশ্চিত করন বিষয়ক মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এল আর সির গোপালগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী নীলরতন সেন। আরো ব্ক্তব্য রাখেন এল আর সির টুঙ্গিপাড়া উপজেলায়র সহ-সাধারন সম্পাদক রমানাথ মন্ডল, এল আর সির টুঙ্গিপাড়া উপজেলায়র প্রচার-সম্পাদক শিবাজী টিকাদার ও এল আর সির সাধারন সম্পাদক শিবলী আনোয়ার। সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন এল আর সির সহ-সভাপতি সূবিতা রায়।
লেবার রিসোর্স সেন্টারে পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৫৪ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে ঐ সময়ের ৬ গুণ। সবজি ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় দেড় শত গুণ। বাংলাদেশের কৃষিতে মোট ৯৭ টি গ্রুপের প্রায় ৩৭৭টি কীটনাশক ব্যবহৃত হয়, যার অনেক গুলোই উন্নত দেশে এ কেবাওে নিষিদ্ধ। আমাদের দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে শতকরা মাত্র ৪ জন কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার জানেন। ৮৭% কৃষকই কীটনাশকের ক্ষতি কর রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া থেকে নিজের শরীরকে মুক্ত রাখার কোনও কৌশল অবলম্বন করেন না।

রমানাথ মন্ডল, গ্রামীণ নারীরা প্রধানত কীটনাশক মিশ্রণ ও সংরক্ষণের কাজ করে থাকেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গর্ভবতী মা যদি খুব বেশি কীটনাশকের কাছে থাকে তবে তার গর্ভেও সন্তান ও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের দেশের নারী ও শিশুদের স্বা¯’্য ঝুঁকির মাত্রা দিন দিন বাড়িয়ে দি”েছ।

শিবাজী টিকাদার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১০ বছর ধওে গবেষণা চালিয়ে দেখিয়েছেন যে, যেসব নারী গর্ভাব ¯’ায় কীটনাশকের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের শিশুদের বুদ্ধি অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কম। এ ছাড়া এর ফলে বিকলাঙ্গ শিশু ও জন্মাতে পারে।

শিবলী আনোয়ার, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিকহ”েছ, প্রায়শতকরা ৫% কৃষক কীটনাশক প্রয়োগের সময় খাদ্য গ্রহণ করেন বা ধুমপান করেন। যার কারণে কীটনাশক সরাসরি তাদের শরীওে প্রবেশ করে। ফলে তাদের স্বা¯’্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা কওে এ খনই কীটনাশকের বিকল্প ব্যবহার শুর ুকরতে হবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব হিসেবে ৩০% কৃষক কীটনাশক ব্যবহারের সময় জ্বালা পোড়ায় ভোগেন, ২৮% কৃষক শ্বাস জনিত সমস্যা, ১৭% কৃষক চুলকানিতে এবং ১৩% কৃষক চোখের সমস্যায় ভোগেন। কিš‘ আমাদের দেশে কীটনাশকের নানা রকম ঐতিহ্যবাহী কিš‘ কার্যকর বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে যাজন গণের সামনে তুলে আনা দরকার এবং তা উৎসাহিত করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

সূবিতা রায়, কীটনাশক বা বিষযদি কোন ভাবে খাবাব বা পানিতে মিশানো হয় এবং সেই খাবার গ্রহণের ফলে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। সে কারণের কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে এ খনই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ  করতে হবে। সেই সঙ্গে নানাবিধ সচেতনতা মূলক কমর্ সূচি গ্রহণের মাধ্যমে সারাদেশে কীটনাশক বিরোধী কণ্ঠস্বর জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।