(দিনাজপুর২৪.কম) আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেছেন, এ বিষয়ে কূটনীতিকদের বিবৃতি দেয়া ‘অহেতুক’। তিনি বলেন, এটা বন্ধ হওয়া উচিত। আমি মনে করি তারা (কূটনীতিকরা) শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন। মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে হওয়া গোলাগুলির ঘটনায় চার জন নিহতের ঘটনা তুলে ধরেন। বলেন, ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি মার্কিন সরকার।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-এ-বাংলা হলে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতারা। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক আন্তর্জাতিক শক্তি। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোও উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন।

রোববার সকালে সেপ্পোকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বিবৃতির ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশী কূটনীতিকদের এসব মন্তব্য অযৌক্তিক।

এদিকে, উপকূলীয় অঞ্চলে নজরদারি ব্যবস্থা বসানোর ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেন, এ বিষয়ে কারো মাথাব্যাথা থাকা উচিৎ নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান যে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের কাছে নতুন প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর তালিকা হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে, ২৯শে জুলাই রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য যাচাই-বাছাই করতে মিয়ানমারকে ২৫ হাজার রোহিঙ্গার একটি তালিকা দিয়েছিল বাংলাদেশ।-ডেস্ক