মো. নুরুজ্জামান  (দিনাজপুর ২৪.কম) কুষ্টিয়ায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জাকির হোসেন (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়ায় জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালির পর দু’ গ্রুপের সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কর্মী সবুজ নিহত হওয়ার ঘটনার মামলায় তিনি সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। জাকিরের বাড়ি মিরপুর উপজেলার কলবাড়িয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আবদুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার জগতি বিআইডিসি রেলবাজারের পাশের একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম বলেন, সবুজ হত্যা মামলার আসামিরা জগতি গ্রামের একটি বাগানে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বলে জানতে পারেন তাঁরা। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযানে চালায়।
এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জাকিরের গুলিবিদ্ধ লাশ ও অস্ত্র উদ্ধার করে। এরপর পুলিশ জাকিরকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, জাকিরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৫ই আগস্ট শোক দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের র‌্যালি শেষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সঙ্গে শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে ছুরিকাঘাতে আওয়ামী লীগের সমর্থক সবুজ হোসেন (২৪) নিহত হন।