(দিনাজপুর২৪.কম) কুমিল্লায় বাস পোড়ানোর ঘটনায় হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা দুইটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া ছয় মাসের জামিন ২৪ জুন পর্যন্ত স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (৩০মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন- আটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন ও মাহবুব উদ্দীন খোকন। গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের বাধা দূর হয় আপিল বিভাগের আদেশে। তবে বিএনপি নেত্রী মুক্তি পাননি। কারণ আরও অন্তত ছয়টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় বাসে পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে আট জনকে হত্যা এবং পুলিশের ভ্যানে হামলা মামলায় ২৮ মে খালেদা জিয়াকে জামিন দেয় একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ। ২০১৫ সালের শুরুতে সরকার পতনের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন চলাকালে কুমিল্লায় এসব নাশকতার ঘটনা ঘটে। হাইকোর্টের আদেশের পর পর এর বিরুদ্ধে চেম্বার জজ আদালতে যায় রাষ্ট্রপক্ষ। বিচারিক আদালতে মামলা চলাকালে হাইকোর্টের জামিনের আদেশ বিচারের জন্য শুভ নয় দাবি করেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা মাহবুবে আলম। উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। ওই মামলায় আপিলের পর খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। যেটি গত ১৭ মে বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। কিন্তু তার আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্তত আরও ছয়টি মামলা রয়েছে; যেগুলোতে জামিন পেলেই কেবল তিনি মুক্তি পেতে পারেন। এর মধ্যে কুমিল্লায় তিনটি ও নড়াইলে একটি, বাকিগুলো ঢাকার। -ডেস্ক