ষাঁড় কালা বাবু। ছবি : সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) ঈদুল আজহা সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের পরিচর্যায় বড় হওয়া ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘কালা বাবু’। কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা কালা বাবুর ওজন ২৭ মণ ১০ কেজি। সাড়ে ৮ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতা। বিক্রির জন্য কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা।

সাড়ে তিন বছর আগে মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের মেঝো ভাই মো. সুমন সিকদারের খামারে জন্ম হয় কালো ও সাদা রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টির। জন্মের সাড়ে ৭ মাস বয়সে ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করার পর থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণ ‍ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির ও গায়ের রং কালো হওয়ায় মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদার শখ করে ষাঁঢ়টির নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’। তিনি তার ব্যবসার অবসর সময়ে শখ করে ষাঁড়টি লালন-পালন করেছেন।

মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদার বলেন, ‘আমি শখ করে ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি লালন-পালন করে তার নাম রেখেছি কালা বাবু। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করছি। এখন পর্যন্ত বাজারে ওঠানোর চিন্তা নেই। ষাঁড়টি কিনতে বাড়িতেই লোকজন আসছেন। তারা কালা বাবুর দাম ৬-৭ লাখ টাকা বলেছেন। কিন্তু আমার চাহিদা ১২ লাখ টাকা।’

তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে, কালা বাবু এ উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। করোনাভাইরাসের কারণে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই ষাঁড়টি বিক্রির চেষ্টা করছি।’

বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ উপ-সহকারী কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম বলেন, ‘ষাঁটির লালন-পালনের জন্য সিজান সিকদার নিয়মিত পরামর্শ নেন। ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার- সবুজ ঘাঁস, শুকনো খর ও গমের ভূষি খাইয়ে ষাঁড়টিকে এ পর্যন্ত তৈরি করেছেন। ষাঁড়টি এ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়। এই মহামারিকালীন সময়ে ষাঁড়টির যদি ন্যায্যমূল্য পান তবেই তার পরিশ্রমের সার্থকতা আসবে।’ -ডেস্ক