দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম আরেফিন জয়া। রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের শিক্ষার্থী। সকাল থেকে ক্লাস শুরু হয় জয়ার। যে সময়টাতে তার স্কুল থেকে ফেরার কথা সে সময়টাতে আবার ঘুমিয়ে পড়ে সে। অনলাইনে ক্লাস চলছে পুরোদমে সেদিকে খুব একটা আগ্রহ নেই। বাবা মা-দু’জনই চাকরিজীবী। সকালে উঠেই তারা বেরিয়ে পড়েন, ফেরেন সন্ধ্যায়। বাড়িতে বন্দি সময়টা রীতিমতো যুদ্ধ করে পার করতে হয় জয়ার।

তার মা ব্যাংকার ঈশিতা রহমান বলেন, দিনকে দিন কেমন জানি বদলে যাচ্ছে। আগে জয়া সারাদিন বাড়ি মাতিয়ে রাখতো। টিভির রিমোট, মোবাইল সব দখলে রাখতো। এখন শুধুই চুপ করে বসে থাকে।

ভিন্ন হলেও একই অবস্থা গ্রামাঞ্চলেও। নাটোরের প্রত্যন্ত এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইশা হোসেন। মাইশা শিক্ষকের সন্তান তবুও নেই লেখাপড়ার চাপ। সারাদিন এ বাড়ি ও বাড়ি দৌড়ে বেরানো আর খেলাধুলা নিয়েই ব্যস্ত সে। একই অবস্থা শহর গ্রামের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের। রাজধানীর এসএসসি পরীক্ষার্থী আমিনুর রহমান সারাদিন ব্যস্ত ইন্টারনেটে। আর কুষ্টিয়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী আবদুর রহমান কাজ করছেন মেকানিকের দোকানে। করোনাভাইরাসের কারণে দেশে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শিক্ষাখাতে। মার্চ থেকে এ পর্যন্ত টানা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। হালে অনলাইনে যে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে তাতে শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ পাঠ গ্রহণের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। দেশে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য বলছে, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ে প্রায় পৌনে দুই কোটি ছেলেমেয়ে। মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটির কিছু বেশি। আর কলেজে মোট শিক্ষার্থী প্রায় অর্ধকোটি। বাকি শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা, মাদ্রাসা, ইংরেজি মাধ্যমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ে। এই চার কোটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে একটা হতাশার অবস্থায় রয়েছেন আরো চার কোটি অভিভাবক। করোনার স্থবিরতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। যদিও তারা শিক্ষার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন কিন্তু চার দেয়ালের মাঝে হারিয়ে যেতে বসেছে চঞ্চলতা।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান এটাকে অমানবিক বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই বয়সের বাচ্চাকে যদি এক থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি ক্লাসে রাখা হয় এতে তার মানসিক বিকাশে বাধা পড়বে। করোনাকালে যখন বাচ্চারা দীর্ঘ সময় ঘরে বন্দি তখন তাদের মেজাজ এমনিতেই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। একটা শিশু বাবা-মায়ের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারেনা। তার সমবয়সী কারো প্রয়োজন। সেখানে দীর্ঘ সময় ক্লাস করতে হচ্ছে। এটা শিক্ষা হতে পারে না। আমরা এর মাধ্যমে শিশুর সৃজনশীলতা নষ্ট করে দিচ্ছি।

আর গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা দিনকে দিন সরে আসছে শিক্ষা থেকে। সম্প্রতি এক জরিপে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শতংশ শিক্ষার্থীর হাতে স্মার্ট ডিভাইস নেই। আর এ থেকে অনুমেয় ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীদের সংখ্যা আরো অনেক কম। ব্রাকের এক জরিপে দেখা যায়, গ্রামাঞ্চলে মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টেলিভিশনে পাঠদানে অংশ নিতে পারছেন। আর অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হচ্ছেন মাত্র ১ শতাংশ শিক্ষার্থী।

দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের বাইরের ৬ জন মাধ্যমিক পর্যায়ের ও ৪ জন মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীকেই শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। অধিকাংশ পরিবার আগের থেকে আর্থিকভাবে লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে বাধ্য হয়ে কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কেউ কেউ। আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক শিক্ষার্থী রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা শহরে কাজের জন্য চলে গেছে। এ ছাড়াও তারা বলেন, যেসব মেয়ে শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে হয়তো তারা পড়ালেখার সঙ্গে যুক্ত হতে পারতো। তারা প্রত্যেকে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর একাংশ শিক্ষার্থী আর বসবে না বেঞ্চে। করোনার সঙ্গে এবার বন্যাও কোনো কোনো এলাকায় শিক্ষা ক্ষেত্রে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। এ বছর উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে চার দফা বন্যা আঘাত হানে। এই জেলার ভূরুঙ্গামারী এলাকার শিক্ষার্থী আলিম হাসান, সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবার মোবাইল দিয়ে কথা হয়। আলিম বলে, ‘টাস মোবাইল (স্মার্ট ফোন) নাই, বাড়িতে টিভি নাই পড়মো ক্যাংকা করি। প্রথম দিকে স্যারেরা খোঁজ নিচিল, এলা তাও নেয় না। বানের পানিত সউগ ডুবি গেছে। বইগুলাও নাই। এজন্যে এলা আব্বার সাথে কামোত যাও।’ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার শিক্ষার্থী ইবাদত মিয়া। তারও বাবার মোবাইলে কথা হয়। সে বলে, ‘বানের পানিত এখ্যান বইও নাই। স্যার কখ্যান পুরান বই দিছিলো। তাও সউগ পাও নাই। এলা ভাত জোটে না সেইত্যানে আব্বার সাথে দোকানোত বইসো।’
অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমেও একটা অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই পদ্ধতিটা কতোটা শিক্ষাবান্ধব এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক মাজিদুল ইসলাম বলেন, কিছু সমস্যাতো মেনে নিতেই হবে। কারণ অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক হিসেবে আমরাও অভিজ্ঞ না। এখন সবার একযোগে এগিয়ে এসে মিলেমিশে এ সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে হবে।

করোনার কারণে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন রাশিয়ার মস্কো স্টেট ইউনির্ভাসিটির শিক্ষার্থী তারিক হাসান। তার ক্লাসের কিছু ভিডিও ক্লিপ থেকে দেখা যায় এসব ক্লাসে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্রাফিক্স, প্রোজেক্টর, নোটেবল পেন, ভয়েজ সিনথেসাইজার ইত্যাদি। এই ক্লাসটির ভিডিও দেখতেই বেশ ভালো লাগছিল। আর অপরদিকে দেশের স্বনামধন্য একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে দেখা যায়, শিক্ষক মোবাইলে কথা বলছেন ক্যামেরা নড়ছে। থেমে থেমে আসছে কথা। তারিক হাসান বলেন, ক্লাস করাটা আমাদের এমনিতেই কারোরই ভালো লাগে না। কিন্তু আমাদের ক্লাসগুলো এমনভাবে সাজানো হয় যে ক্লাস করে মজা পাই। কখনো বের হই না। আর একেকটা ক্লাস স্যারের সঙ্গে সঙ্গে সেটার ডিজাইনটাও পরিবর্তন হয়। তাই মনোযোগ নষ্ট হবার কোনো সুযোগই থাকে না।

শিক্ষাখাতের এই স্থবিরতায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বেসররকারি শিক্ষকরাও। তারা পেট বাঁচাতে জড়িয়ে পড়ছেন বিভিন্ন কাজে। নিলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় আলো কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক চক ডাস্টারের পরিবর্তে হাতে নিয়েছেন অটোরিকশা। রিকশা চালাতে চালাতে বলেন, বাধ্য হয়ে এই কাজে যোগ দিয়েছেন। স্কুল বন্ধ, বেতন পাচ্ছি না।

আবার বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্যপরিষদ আন্দোলন করে আসছে স্কুল খুলে দিতে। তারা বলছেন, তাদের প্রণোদনা দেয়া হোক নয়তো স্কুল খুলে দেয়া হোক। এই দাবির প্রেক্ষিতে আদালতে যাবার পরিকল্পনাও করছেন তারা। এই পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, সব খুলে দেয়া হলো। কোনো শিক্ষার্থী ঘরে নেই। শিশু পার্ক খোলা, কওমি মাদ্রাসা খোলা তবে কিন্ডারগার্টেন কেন বন্ধ রাখা হচ্ছে। যদি বন্ধ রাখাই হয় তবে আমাদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হোক।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজের অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকরাও দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছেন এমপিওভুক্তির দাবিতে। করোনাকালে তারা ‘বেতন ভাতা না পেয়ে বিপদগ্রস্ত’। আন্দোলনও করছেন। এরই প্রেক্ষিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, করোনাকালে এসব শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য চিঠি দিয়েছি। কিন্তু এরপরও গভর্নিং বডির ব্যর্থতায় তারা বেতন বঞ্চিত হচ্ছেন।

অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনের হিসাবে, গত বছরের সামার সেমিস্টারের তুলনায় এবার বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। কয়েকটি বড় বিশ্ববিদ্যালয় বাদে বাকি সবক’টিতেই এবার শিক্ষার্থী ভর্তি কমেছে।

আবার বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও সংখ্যা কমে এসেছে। প্রতিবছর দেশের বাইরে থেকে পড়তে আসেন প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী। সব থেকে বেশি পড়তে আসে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে জানুয়ারিতে ২৩৭ জন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও পরের সেমিস্টারে ভর্তি হয় মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়তে প্রতিবছর যায় প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী। সামার সেমিস্টারে সেটা নেমে এসেছিল ৫শ’র নিচে। যদিও ফল সেমিস্টারে বিভিন্ন দেশে যেতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন জানায়, দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীর দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকার পরও যেতে পারেনি।

সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশের গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমাদের মূলধারার শিক্ষার্থীর ৮০ শতাংশ মহানগরের বাইরে। তাদের কাছে আমরা অনলাইন, টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইলের মাধ্যমেও পৌঁছাতে পারছি না। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ একটা বড় সমস্যা। এ ছাড়াও ধরেন স্মার্ট ডিভাইস পরিবারে আছে একটা কিন্তু শিক্ষার্থী তিনজন। আমাদের দুঃখ হচ্ছে শিক্ষকদের জন্য কোনো প্রণোদনা নেই। যে অর্থ খরচ করে শিক্ষকদের উন্নত করে তোলা যেতো। অনলাইনে ক্লাসতো নতুন পদ্ধতি, শিক্ষকদের সমস্যাতো হবেই। তিনি আরো বলেন, এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাটা উত্তম সিদ্ধান্ত। একটা ক্ষতি হচ্ছে এটা ঠিক, তবে ১৯৭১ সালেও আমরা এক বছর শিক্ষাবঞ্চিত ছিলাম। এই মুহূর্তে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিচলিত হচ্ছেন এটাই স্বাভাবিক তবে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

এই বিষয়ে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মঞ্জুরুল হক বলেন, এই মুহূর্তে আসলে আমাদের বিকল্প নেই। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তা ভালো উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের কথা ভেবেচিন্তেই তারা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তারা সামনে আরো ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। করোনার সৃষ্ট ক্ষতিও কাটিয়ে উঠতে পারা যাবে আশা করি।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সার্বিক বিষয়ে বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৈশ্বিক সংকট তৈরি করেছে। শিক্ষা খাতও এ সংকটের বাইরে নয়। তাই শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা তাদের ভাবনায় রয়েছে। সব কিছুই নির্ভর করবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলে দেয়া সম্ভব হবে, তার ওপর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেমে নেই। তিনি আরো বলেন, করোনার সংকট শুধুই সমস্যা নয়, নতুন সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসে দক্ষ হচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষায় বাড়ছে। সরকার এখন শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সূত্র: মানবজমিন