(দিনাজপুর২৪.কম) ইনিংসের শুরুতেই সফরকারি দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে আঘাত হেনেছে বাংলাদেশের উদীয়মান নক্ষত্র বাঁ হাতি তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এর পরই আরেকটি উইকেট শিকার করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশি ২ বোলারের জোড়া আঘাতে ২ উইকেট হারিয়ে প্রোটায়াদের সংগ্রহ মাত্র ১৯ রান। এর পর দলীয় ৪৫ আবার দলীয় অধিনায়ক হাশিম আমলাকে ফিরিয়ে দেন সাবিক। আর দলীয় ৫০ রানে নিজের স্পেলের প্রথম বলেই ১৭ রানে থাকা রাইলে রুসোকে প্যাভিলিয়নে পাঠান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এর পরও বেশ আঁটসাঁট বোলিংয়ে সফরকারিদের চেপে ধরেছে টাইগাররা; ওরা দঁড়াতেই পারছেনা যেন।
মুস্তাফিজুর রহমানের করা তৃতীয় ওভারেই এগিয়ে এসে মারতে চেয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক কিন্তু বলে ব্যাটই ছুঁয়াতে পারেননি তিনি। ৭ রান করে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এর পর ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারে এক রান দেয়া এ বাঁহাতি স্পিনার আঘাত হানেন পরের ওভারেই। তার বলে সুইপ করতে গিয়ে মুশফিকুর রহিমকে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ফাফ দু প্লেসি। এর মধ্যদিয়ে ২ ম্যাচ পর উইকেট পেয়েছেন তিনি। ফাফ দু প্লেসিকে ফিরিয়ে দিয়ে দলকে উজ্জীবীত করলেন তিনি।
এর আগে এ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ। ১-১ এ সমতা এ সিরিজে ২ দলের জন্যই ম্যাচটি দারুণ গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতেছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচটাই তাই হয়ে গেছে ফাইনালের মতো। যে জিতবে সিরিজ তার। বাংলাদেশ উইনিং কম্বিনেশন ভাঙ্গেনি। তবে ক্রিস মরিসের জায়গায় প্রোটিয়ারা একাদশে নিয়েছে মর্নে মর্কেলকে।
চট্টগ্রামের দর্শকরা টানটান উত্তেজনার একটি ম্যাচ দেখার অপেক্ষায়। তবে সকালে বৃষ্টি হয়েছে। এখন বৃষ্টি নেই। তারপরও বৃষ্টির বাগড়া দেয়ার শঙ্কাটাকে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। চট্টগ্রামের এ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম বাংলাদেশের জন্য দারুণ এক লাকি গ্রাউন্ড। যদিও এখানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৮ এ খেলা একমাত্র ম্যাচটি বাজেভাবে হেরেছিল স্বাগতিকরা।
কিন্তু এ মাঠেই ১৫ ম্যাচের ৯টিতেই জেতার রেকর্ড টাইগারদের। এর মধ্যে আছে ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে সেই বিখ্যাত হারানো ম্যাচটাও। ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও এখানে শোচনীয় পরাজয়েরও মুখোমুখি করেছে বাংলাদেশ।(ডেস্ক)