ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিনী আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে : কাদের মির্জা - ছবি : সংগৃহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘আজকে যে তাণ্ডব আমার ওপর চলছে, আমার কর্মীদের ওপর চলছে, আমার ওপর অস্ত্রবাজি চলছে, সমস্ত ঘটনা পরিচালনা করছেন আমাদের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেবের সহধর্মিনী ইশরাতুন নেছা কাদের। তার নেতৃত্বে সব কিছু হচ্ছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ইশরাতুন নেছা কাদের ‘সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে আমি ও আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর লেলিয়ে দিয়েছে’। তার দাবি, ‘আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত আমার ওপর অত্যাচার চলছে। আমার কর্মীদের ওপর নির্যাতন চলছে।’

তিনি আরো বলেন, যারা আমার সংস্পর্শে এসেছে তাদের গ্রেফতার করছে অথবা হয়রানি করা হচ্ছে। আর তাদের লোকজন ঘোরাফেরা করছে। খিজির হায়াত খান নোয়াখালীতে আছেন। তাদের লোকজন কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন জায়গাতে আছে। রেজ্জাক, বাদল ও শাহীন চৌধুরীর প্রজেক্টে সমস্ত বহিরাগত সন্ত্রাসী আছে। তারা একরাম চৌধুরী ও একরাম চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলে শাবাব, সম্রাটসহ একত্রিত হয়ে সিন্ধান্ত নিয়েছে যে আমাকে গুলি করে হত্যা করবে। একটা লাশ ফেলে এখানে একটা অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করবে।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, তিন দিন আগে আমাদের.., চট্টগ্রামের ডিআইজি-কে বলেছি, ডিবি পুলিশ থানার ওসির নেতৃত্বে এসপির নির্দেশে এখানকার.. সন্ত্রাসীদের একটিচক্র নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আমার ছেলেদের তল্লাশি করছে। আমার মামলাগুলোর এখন পর্যন্ত একজনকেও গ্রেফতার করেনি। অথচ আমার ইতোমধ্যে প্রায় ২০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তিনি আরো বলেন, যারা এসব ঘটাচ্ছে- প্রশাসনের যারা জড়িত.. নোয়াখালীর এসপি, তারপর ডিবির ওসি, কোম্পানীগঞ্জের ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তা- এই চারজনকে অনতিবিলম্ব প্রত্যাহার করতে হবে। যাতে এখানের মানুষ ন্যায়বিচার পায়। ‘আম জনতা’ যাতে ন্যায়বিচার পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না করা হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য যারা এটার সাথে জড়িত তাদের দায় নিতে হবে। এর আগে শনিবার রাতে বড় ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ পারিবারিক দু’টি ছবি পোস্ট করে কাদের মির্জা ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, যদিও পৃথক হয় নারীর কারণ। আবদুল কাদের মির্জা, মেয়র, বসুরহাট পৌরসভা।’ -সূত্র : নয়া দিগন্ত