1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  6. news@dinajpur24.com : nalam :
  7. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  8. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

ঐক্যফ্রন্ট-আওয়ামী লীগের সংলাপ আজ : দৃষ্টি গণভবনে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) দেশের মানুষের চোখ এখন গণভবনে! কী হবে? কে কার থেকে কী রাজনৈতিক স্বার্থ আদায় করে নেবেন। চায়ের দোকান থেকে রাজনীতি পাড়ায় সব জায়গায় সংলাপের সৌরভে এখন রাজনৈতিক অঙ্গন বিমোহিত। আজ সন্ধ্যায় গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের সাথে হবে এই সংলাপ। শেখ হাসিনার সঙ্গে সরকারবিরোধী নেতারা আজ একটেবিলে বসবেন। ঐক্যফ্রন্টের ১৬ নেতাকে মোকাবিলা করবেন প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের ২১ সদস্য। কয়েকদিন আগেও কেউ ভাবতে পারেননি চির বৈরী আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা একসঙ্গে বসবেন। যদিও সরকারি দলের ভাষ্য তারা বিএনপির সঙ্গে বসছেন না। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ করছেন। আবার এও অস্বীকার করা যাচ্ছে না, বিএনপির শীর্ষ ৫ নেতাই এ সংলাপে থাকছেন। তবে আজকের সংলাপের পর পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিকল্প ধারা বাংলাদেশের অন্যতম নেতা অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ অন্যদের সঙ্গে বসবেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। সংলাপে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সরকারের শরিক জাতীয় পার্টির প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও। সুষ্ঠু নির্বাচনের একটি রূপরেখা আজকের সংলাপ থেকে আসবে বলে ধারণা করছেন সাধারণ জনতা। এদিকে, সংলাপ ইস্যুতে আন্দোলন থেকে ফিরে এসে অবশেষে বিএনপির সংস্কার প্ল্যানিংও নিস্ফল হচ্ছে। সংলাপ ইস্যুতে ষ বিএনপির ভুলের জবাব চায় আন্দোলনমুখী নেতারা। দলের জনপ্রিয়তা এবং লাখো নেতাকর্মী থাকার পরও কেন বিএনপি ক্ষমতার পরিবর্তে সংস্কারকে গুরুত্ব দিয়েছে। লাভের অংশ কোথায়? কার ইঙ্গিতে বিএনপি সমঝোতার পথে হেঁটেছে। সংলাপ ইস্যুতে গত দুদিন বিএনপির একাধিক বৈঠকে আন্দোলনমুখী নেতারা বলছে, অবশেষে বিএনপির শেষ প্ল্যানিংটাও ক্ষমতাসীন দলের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে। এটি এখন স্পষ্ট যে, নির্বাচনের আগে সরকার সংলাপের বাতাস তুলে দেশে-বিদেশে রাষ্ট্রীয় ইমেজ রক্ষা করছে মাত্র। এই সংলাপে লাভের ফসলে সরকারই এগিয়ে থাকবে শূন্যের খাতায় রইবে বিএনপি। সরকার বিএনপিকে সংলাপে আনতে পেরেছে এটাই সাফল্য। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হঠাৎ করে সংলাপ আয়োজন, অন্যদিকে খালেদা জিয়ার সাজাবৃদ্ধির বিষয়টি পরিকল্পিত। এ ইস্যুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটিসহ শীর্ষ নেতাদের শান্তনা, আজকের সংলাপ ফলপ্রসূ না হলেই আন্দোলনে যাবে। তফসিল ঘোষণার পর পরই হরতাল অবরোধসহ লাগাতার কর্মসূচি দেয়া হবে। খালেদা জিয়ার জামিন না হলেও অন্তত তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।সংলাপ বৈঠকে অংশ নেবেন এমন এক নেতার ভাষ্য সাত দফার বিষয়টি উপস্থাপন করা হলেও এর কোনোটিই সরকার মানবে না এটি ঐক্যফ্রন্ট প্রায় নিশ্চিত। ওই নেতার ধারণা, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের দিকে ঠেলে দেবেন শেখ হাসিনা। সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনে সেনাকে ম্যাজিট্রেসি বিষয়গুলোতে ড. কামাল হোসেনকে সরকার কৌশলে ম্যানেজ করতে পারেন। তবে কামাল হোসেন বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। বিশেষ করে দলীয়করণ, সাবেক প্রধান বিচারপতির প্রস্থানের বিষয়গুলোকে যুক্তি আকারে তুলে ধরা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ড. কামালের অনেক ছাড় থাকতে পারে। তবে বিএনপি হয়তো অনড় অবস্থানে থাকবে। বৈঠকের খালেদা ইস্যুতে ড. কামালের ভূমিকা কী থাকবে, আজকের সংলাপে উপস্থিত থাকবেন এমন এক নেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি  বলেন, খালেদা জিয়া এখন রাজবন্দি নয়, দণ্ডপ্রাপ্ত। দণ্ডপাপ্ত খালেদার বিষয়ে ড. কামাল কথা বলবেন না, তা বিএনপিকেই মোকাবিলা করতে হবে। যেহেতু বিএনপির ৫ নেতা থাকবেন তারাই বিষয়টি সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবেন। খালেদার মুক্তির বিষয়ে সরকারের কী মনোভাব এটাই তারা জানবেন। তাছাড়া গতকাল একাধিক কর্মসূচিতে তারা সরকারকে ইঙ্গিত দিয়ে অনেক বার্তাই দিয়েছেন। সেগুলোই তারা আজ তুলে ধরবেন।আজকের সংলাপ ইস্যুতে বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশে আন্দোলন ব্যতিত সংলাপে সমঝোতার ইতিহাস নেই। কিন্তু বিএনপি অতীতের ন্যয় ফের রাজনৈতিক ভুল করেছে। অতীতের ভুলের সিদ্ধান্ত এখনো দলকে দিতে হচ্ছে। এখন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্দোলনে না গিয়ে চরম রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর জন্য বিএনপিকে ফের দীর্ঘ সময় খেসারত দিতে হবে। এ নিয়ে বিএনপির মাঝে পক্ষ-বিপক্ষে দাঁড় হচ্ছে। গতকাল থেকে পল্টন ও গুলশানে একাধিক বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে জবাব চেয়েছেন মাঠপর্যায়ের নেতারা। সব প্ল্যানিংয়ের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। দুটি বৈঠকে লন্ডন থেকে তারেক জিয়াও সরাসরি অংশ নিয়েছে। সংলাপে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত না হলে আন্দোলনে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অবশেষে বিএনপিও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা পুরনো স্টাইলে হাঁটবেন। সুষ্ঠু নির্বাচন দাবিতে এতদিন ড. কামাল হোসেনকে আসন সমঝোতায় ভিন্নপথে হাঁটলেও এখন সেটিও অন্ধকারে। ছাড় দেয়ার মানসিকতায় বিরোধীশক্তির উত্থানও সরকারের কাছে হার মানতে হচ্ছে। তাই নতুন আঙ্গিকে আন্দোলনের ছক তৈরি করা হয়েছে। এ শপ্তাহে তফসিল ঘোষণা হলেই টানা আন্দোলনে যাবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকা একাধিক সূত্র  নিশ্চিত করেছেন লন্ডন থেকে তারেক জিয়ার নির্দেশে প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড থেকে ১০ জন করে নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেই তালিকা লন্ডনে পাঠানো হয়েছে। রাজধানী ঢাকাকে টার্গেট করে এ ছক তৈরি করা হয়েছে।মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই দিনে বিএনপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল চেয়ে করা আপিলও খারিজ করে দেন আদালত। এদিকে গতকাল ৭ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করে বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে নেতৃত্ব ছাড়তে হতে পারে খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়াকে। আদালতের রায় এবং ক্ষমতাসীনদের কৌশল থেকে বিএনপির করণীয় নির্ধারণ করতে গুলশান এবং নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে করণীয় নির্ধারণে দফায় দফায় বৈঠক করেন দলের সিনিয়র নেতারা। রাস্তায় কর্মসূচিতেও একটিভ রয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের আন্দোলনে অবস্থান নিতে নির্দেশনাও আসে ওই বৈঠক থেকে। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার জামিন না হলেও অন্তত তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিএনপির ল’ উইংয়ের কয়েকজন কাজে নেমে পড়েছেন। যার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে যাতে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। এরই মধ্যে আন্দোলনে নামেন আইনীবীরা।গতকাল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে ডাকা বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের আদালত বর্জনের ঘোষণা সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (আপিল ও হাইকোর্ট) বিচারকার্য পরিচালিত হচ্ছিল। তাৎক্ষণিক শতশত আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি ভবন থেকে আদালত ভবনে প্রবেশের দুটি পথেই তালা ঝুলিয়ে দেয় বিক্ষোভরত আইনজীবীরা। আইনজীবী সমিতি ভবন থেকে আদালতে প্রবেশের দুটি পথে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় আইনজীবীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে বিক্ষোভরত বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের বাকবিতণ্ডাও হয়। এ নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অবৈধ শেখ হাসিনার সরকার দেশে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে রেখেছে। একের পর এক মিথ্যা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে জিয়া পরিবার তথা বিএনপির রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা একদিকে সংলাপের কথা বলছে, অন্যদিকে খালেদা জিয়ার সাজার মেয়াদ বাড়িয়েছে। সাজানো মামলায় তিনি জামিন পেলেও জামিন দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় সংলাপের আহ্বান করা সরকারের সদিচ্ছার প্রকাশ পায় না। খালেদাকে কারাগারে রেখে সংলাপ ফলপ্রসূ হতে পারে না। তাকে কারাগারে রেখে এ দেশে কোনো নির্বাচনই হতে পারে না। আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা এতোদিন ধরে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছি এখন দেখছি তা ফলপ্রসূ হয়েছে। সরকার এতোদিন বলেছে তারা সংলাপে বিশ্বাস করে না। দেশে কোনো সংলাপ হবে না। এখন তারা জনগণের মনের কথা বুঝতে পেরেছে। তারা সংলাপে রাজি হয়েছে। আমরা আমাদের ৭ দফা দাবি নিয়ে সংলাপে আলোচনা করবো। সংলাপ, আন্দোলন এবং নির্বাচন একসাথে চলবে। বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ  বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলার রায় দেওয়া হচ্ছে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্য। মূল লক্ষ্যটা সংলাপ, কিন্তু সংলাপের ডাক দিয়ে খালেদা জিয়ার সাজাবৃদ্ধির বিষয়টি কেমন? এটা সহজ সমাধান হবে না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে কিনা, এটা তো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে দলের মধ্যে ভিন্নমত তৈরি হবে। একটি অংশ বলবে যাবে, আরেকটি অংশ বলবে যাবে না।’ এমাজউদ্দীন বলেন, ‘সংলাপের ডাক দিয়ে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়ার মানে হচ্ছে, সরকার ওয়ান পার্টি সিসটেম সৃষ্টি করতে চায়। খালেদা জিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় নেত্রী, তাকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করায় অনেক সমস্যা আছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক আমেনা মোহসিন বলেন, প্রথমেই আমি স্বাগত জানাই সংলাপে বসার বিষয়টিকে। এখানে দুপক্ষকেই ছাড় দিয়ে, খোলা মন নিয়ে বসতে হবে। যদি তা হয়, তবে এটি সবার জন্যই কল্যাণকর হবে। আমরা নতুন আশার আলো দেখতে পাব। -ডেস্ক রিপোর্ট

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর