(দিনাজপুর২৪.কম) গম বা আটার বাজারমূল্য হিসাব করে গত বছরের মতো এবারো সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৬৫ টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ফিতরা নির্ধারণী সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে বায়তুল মোকাররমের ইমাম মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান।
এক কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেঁজুর, কিসমিস, পনির বা যবের মধ্যে যে কোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।
এই হিসেবে এবার সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা থেকে ১ হাজার ৯৮০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মিজানুর রহমান বলেন, ফিতরার জন্য নির্ধারিত ওজনের আটার দাম ৬৫ টাকা, যবের দাম ৫৬০ টাকা, কিসমিস ১২৫০ টাকা, খেঁজুর ১৬৫০ টাকা এবং পনিরের ১৯৮০ টাকা ধরে এই ফিতরা হিসাব করা হয়েছে। নিজ নিজ সামর্থ্য অনুসারে এসব পণ্যের যে কোনো একটি দিয়ে অথবা সমপরিমাণ দাম দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। তবে খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দামে তারতম্য থাকতে পারে।
ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। নাবালক ছেলেমেয়ের পক্ষ থেকে বাবাকে এই ফিতরা দিতে হয়। আর তা দিতে হয় ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই।
গত বছরও সর্বনিম্ন ফিতরা ধরা হয়েছিল জনপ্রতি ৬৫ টাকা, তার আগের বছর ছিল ৬০ টাকা।
মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এই সভায় ফিতরা নির্ধারণী কমিটির সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। -ডেস্ক