1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. erwinhigh@hidebox.org : adriannenaumann :
  3. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  4. AnnelieseTheissen@final.intained.com : anneliesea57 :
  5. maximohaller896@gay.theworkpc.com : betseyhugh03 :
  6. BorisDerham@join.dobunny.com : borisderham86 :
  7. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  8. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  9. Concetta_Snell55@url-s.top : concettasnell2 :
  10. CorinneFenston29@join.dobunny.com : corinnefenston5 :
  11. marcklein1765@m.bengira.com : danielebramlett :
  12. rosettaogren3451@dvd.dns-cloud.net : darrinsmalley71 :
  13. cyrusvictor2785@0815.ru : demetrajones :
  14. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  15. emmie@a.get-bitcoins.online : earnestinemachad :
  16. nikastratshologin@mail.ru : eltonmcphee741 :
  17. EugeniaYancey97@join.dobunny.com : eugeniayancey33 :
  18. vandagullettezqsl@yahoo.com : gastonsugerman9 :
  19. panasovichruslan@mail.ru : grovery008783152 :
  20. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  21. KeriToler@sheep.clarized.com : keritoler1 :
  22. Kristal-Rhoden26@shoturl.top : kristalrhoden50 :
  23. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  24. jarrodworsnop@photo-impact.eu : lettie0112 :
  25. cruz.sill.u.strate.o.9.18.114@gmail.com : lonnaaubry38 :
  26. lupachewdmitrij1996@mail.ru : maisiemares7 :
  27. corinehockensmith409@gay.theworkpc.com : meaganfeldman5 :
  28. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  29. news@dinajpur24.com : nalam :
  30. marianne@e.linklist.club : noblestepp6504 :
  31. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  32. armandowray@freundin.ru : normamedlock :
  33. rubyfdb1f@mail.ru : paulinajarman2 :
  34. PorterMontes@mobile.marvsz.com : porteroru7912 :
  35. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  36. Roosevelt_Fontenot@speaker.buypbn.com : rooseveltfonteno :
  37. kileycarroll1665@m.bengira.com : sabinechampion :
  38. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  39. gorizontowrostislaw@mail.ru : spencer0759 :
  40. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
  41. online@the-nail-gallery-mallorca.com : zoebartels80876 :
শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি :
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত "বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ ও অগ্রগতি কেন্দ্র" এর দিনাজপুর সহ সকল শাখায়  RMP, LMAFP. L.V.P,  Paramedical, D.M.A, Nursing, Dental পল্লী চিকিৎসক কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তির শেষ তারিখ ২৫/১১/২০১৯ বিস্তারিত www.bttdc.org ওয়েব সাইটে দেখুন। প্রয়োজনে-০১৭১৫৪৬৪৫৫৯

‘এত উন্নয়নের পরও জনগণ ভোট না দিলে দায়ী থাকবেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা’

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮
  • ১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচন আ.লীগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। দলকে বদনামে ফেললে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। যে মনোনয়ন পাবে নেতাকর্মীদের তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। জনগণের মন জয় করেই ক্ষমতায় আসতে হবে। শনিবার (২৩জুন) আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এসময় আওয়ামী লীগ সরকার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক নীতিমালাকে সময় উপযোগী করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় মার্কায় ভোট পেলেই এ দেশের মানুষ সব পায়। ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা, দারিদ্র্য মুক্তি, শিক্ষার আলো, রাস্তা-ঘাট, স্কুল কলেজ সব পেয়েছে।’ ‘আমরা সারা দেশের উন্নয়ন করছি। আজকে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের প্রতিটি উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত আছে আ.লীগ। প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়েছে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, দুর্নীতিবাজরা নয় নিজ এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নমিনেশন দেওয়া হবে।
‘যেসব এমপি টাকা নিয়ে কাজ করেন, দুর্নীতি করেন, তারা নমিনেশন পাবেন না। নমিনেশন দেওয়া হবে এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই।’

কেউ দলের বিরুদ্ধে কথা বললে তার মনোনয়ন পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের রাজনীতি করতে হলে উন্নয়নের কথা জনগনের সামনে তুলে ধরতে হবে।’ দুঃসময়ে দলের হাল ধরে রাখা কর্মীরা যাতে অবহেলিত না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে মহাজোট করেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি লীগের।’ আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে সবাইকে কাজ করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া আওয়ামী লীগে সুযোগ সন্ধানীদের প্রতি নজর রাখার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে ভোট না পায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

বাঙালির যা কিছু অর্জন সবই আওয়ামী লীগের শাসনামলে এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য। সব ধর্মের মানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই দল।’ ‘৭৫ এর পর এদেশের ক্ষমতা ছিল ক্যান্টনমেন্টে বন্দী। রাজনীতি জনগণের কল্যাণে না হলে তা দিয়ে জনগণের জন্য কিছু করা যায় না। ক্ষমতা নিজেদের ভোগ দখলের জন্য না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় কাজ করেছে জনগণের জন্য। রাজনীতি সঠিক হলে এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন হয় এটি প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ কথা দিলে কথা রাখে।’

বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দূর্নীতিবাজদের দলে রাখার জন্য দলের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে বিএনপি নিজেদের দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমান করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে যারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিল, যারা ক্ষমতার আশেপাশে ছিল শুধু তাদেরই ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ খুন করেছে। দুর্নীতি করেছে। অত্যাচার করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ মানুষের ঘরে ঘরে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা মানুষের জন্য কাজ করেছি। যার কারণে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

এর আগে স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জানতেন- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করবে এবং পাকিস্তানিরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না, এ কারণে অনেক প্রস্তুতি প্রয়োজন। সে কারণে তিনি লন্ডনে বসে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু সেসব বিষয় তখন মুখে বলেননি। তিনি অসহযোগ আন্দোলন ডাক দিয়ে স্বাধীনতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেন। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি গেরিলা যুদ্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করি এবং বিশ্বজনমতের কারণে স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি বাহিনী।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘দেশে ফিরে এসেই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব তুলে নেন বঙ্গবন্ধু। পৃথিবীর ইতিহাস থেকে জানা যায়, বিশ্বের কোনও দেশ থেকে কোনও মিত্রবাহিনী ফেরত যায়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় বাহিনীকে ফেরত নেন। এটাও হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কারণে।’

১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালে পরিবার হারিয়ে আমি আওয়ামী লীগের কাছেই বাবার ভালোবাসা পেয়েছি, মায়ের ভালোবাসা পেয়েছি, ভাইয়ের ভালোবাসা পেয়েছি। আওয়ামী লীগের মধ্যেই আমি আমার পরিবারকে পেয়েছি।’

৬৯ পেরিয়ে ৭০ বছরে আ.লীগ: আজ ২৩ জুন দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘদিনের লড়াই সংগ্রাম পেরিয়ে টানা দুই মেয়াদ ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় দলটি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ বাঙালি জাতির যা কিছু শ্রেষ্ঠ অর্জন, তার মূলে রয়েছে আওয়ামী লীগ। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে বাংলার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল, ১৯২ বছর পর ১৯৪৯ সালের একই দিনে সেই স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে আওয়ামী লীগের পথচলা শুরু।

দীর্ঘ দু:শাসনের পরিক্রমায় ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর গণতন্ত্রের মানষপুত্র খ্যাত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বে ঐদিন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। জন্মলগ্নে এই দলের নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’।

পথচলা থেকেই ধর্মনিরপেক্ষ-অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, শোষণমুক্ত সাম্যের সমাজ নির্মাণের আদর্শ এবং একটি উন্নত সমৃদ্ধ আধুনিক, প্রগতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শনের ভিত্তি রচনা করে আওয়ামী লীগ। যার প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামকরণ করা হয়।স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা।

৪৭’র দেশ বিভাগ, ৫২র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬র ছয় দফা, ৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে আওয়ামী লীগই ছিল মূল ভূমিকায়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের প্রয়োজনে সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল আন্দোলনের সাহসী মিছিলের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই মাতৃভাষা বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষার আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা লাভ করে।

২১শে ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয় জাতীয় ছুটির দিন ‘শহীদ দিবস’। আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি। মন্ত্রিত্বত্যাগ করে জনগণের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় সংগঠন গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” খ্যাত কালজয়ী ভাষণ ও পরবর্তীতে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার পর ২৬ মার্চে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদ্বয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের রূপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র ও আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সুমহান ঐতিহ্যের প্রতীক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে নিবেদিত ঠিক তখনই স্বাধীনতা বিরোধীচক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে।

১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নবউদ্যামে সংগঠিত হয়। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নবতর সংগ্রামের পথে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথপরিক্রমায় অনেক অশ্রু, ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি ফিরে পায় ‘ভাত ও ভোটের অধিকার’।

আজ বঙ্গবন্ধু-কন্যা, রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ও সুদক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্থিতিশীল অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নয়নে গতিশীলতা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়নের ফলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। -ডেস্ক


নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর