-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা নিজেদের ইরানি হ্যাকার গ্রুপের সদস্য দাবি করেছে। হ্যাক হওয়া কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি লাইব্রেরি কর্মসূচির (fdlp.gov) ওয়েবসাইটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে ঘুষি মারার একটি ছবির সঙ্গে ‘এটা কেবল শুরু’ লিখে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহতের ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলেও বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, হামলাটি ইরানি হ্যাকাররা করেছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। খবর দ্য গার্ডিয়ানের

হ্যাকারদের সতর্ক বার্তায় লেখা রয়েছে, ‘বহু বছরের সাধনার পুরস্কার শহীদ হওয়া। আল্লাহর ইচ্ছায় তার (জেনারেল কাসেম সোলাইমানির) মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার কাজ শেষ হয়ে যাবে না আর তার রক্তে যেসব অপরাধীর হাত রঞ্জিত হয়েছে, তাদের জন্য মারাত্মক প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে’।

ইরানের সাইবার সক্ষমতার এটি এক সামান্য দৃষ্টান্ত বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত বইসহ বিভিন্ন প্রকাশনার তথ্য সরবরাহ করা এফডিএলপি ওয়েবসাইটটি।

শুক্রবার ভোরে বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হন ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। এরপর থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

১৯৯৮ সাল থেকে ইরানের কুদস ফোর্সের নেতৃত্ব দেওয়া সোলাইমানি ইরানের শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে দেওয়া হতো জাতীয় বীরের সম্মান। তার কুদস বাহিনী সরাসরি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে জবাবদিহিতা করে।

খামেনির পর জেনারেল সোলাইমানিকে ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি মনে করা হতো।

সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

সোলাইমানি নিহতের ঘটনায় কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে খামেনি বলেছেন, এ হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‌চরম ‘প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে।

এদিকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের ওপর অথবা স্থাপনায় হামলা চালালে ইরানের ৫২টি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।-ডেস্ক