taskia-arinaমো: মোকাররম হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) গত ২৪ শে অক্টোবর বিকাল পাঁচটার সময় দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় সুজালপুরস্থ খালার বাড়ী হতে খাতা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে তাসকিয়া আরমানা এলিনা (১৫) বাসা হতে বের হলে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাবার পর তাসকিয়া যখন বাড়ী ফিরে আসছে না তখন তার খালা মর্জিনা খাতুন অনেক খোঁজাখুজির পর স্থানীয় উপস্থিত স্বাক্ষী মো: নাজমুল হোসেন (৩২), পিতা- নুর আমিন, সাং- শীতলাই, থানা- বীরগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর এসে জানায় যে, বাড়ী হতে আনুমানিক ২০০ গজ পশ্চিমে বীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও গামী রাস্তায় আসামী ১- মাসুদ পারভেজ (৩৩), পিতা- শাহাজাহান সরকার, সাং- চাপাসার, থানা- হরিপুর, জেলা- ঠাকুরগাঁও, আসামী ২- গোলাম মাস্টার (৪০), পিতা- মৃত খোরশেদ আলী, সাং- চাপাসার, থানা- হরিপুর, জেলা- ঠাকুরগাঁও, আসামী ৩- মো: আনোয়ার হোসেন (৩৪), পিতা- ফজলুল হক মিনার, সাং- তাজিগাঁও, থানা- হরিপুর, জেলা- ঠাকুরগাঁও, আসামী ৪- শাইরুল সরকার (৩৮), পিতা- গিয়াস উদ্দীন সরকার, সাং- তাজিগাঁও, থানা- হরিপুর, জেলা- ঠাকুরগাঁও, উক্ত আসামীরা তাসকিয়াকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে মাসুদ পারভেজ সহকারে উক্ত চার জন আসামী জোরপূর্বক তাকে টেনে হেচড়ে মাইক্রোবাসে উঠায়। উক্ত স্থানে উপস্থিত স্বাক্ষী নাজমুল সহ ঘটনা স্থলে লোকজন এগিয়ে আসলে মাইক্রোবাসটি বীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও গামী রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে ঠাকুরগাঁও এর দিকে চলে যায়। এই মর্মে বীরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা রজু করা হয়। যাহার মামলা নং ১/১৭১, তাং ০১/১১/২০১৬ইং ধারা- ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী/০৩ আইনে ৭/৩০ ধারা রজু করা হয়েছে। ইতিপূর্বেও একই ঘটনার সূত্রপাত ঘটিয়েছিল প্রধান আসামী মাসুদ পারভেজ, তখনও বীরগঞ্জ থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা রজু করা হয়। যাহার মামলা নং ছিল- ১৫, তাং ২০/০৭/২০১৬ইং। উক্ত মামলাটিও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী/০৩ আইনে ৭/৩০ ধারা রজু করা হয়েছিল।

বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মোবাইলে কথোপকথনে সাংবাদিকদের তিনি জানান, মামলাটি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  এলিনার বাবা-মা সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছে।