(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মনজুর ইয়াবা নিয়মিত সেবনের চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এহেন ঘটনার বিষয়টি নিয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।  ঘটনায় প্রকাশ, উপজেলা চেয়ারম্যানের ম্যানেজার সাঈদ সূত্রে জানা গেছে,  ধৃত যুবক মেহেদী হাসান রবিন (২৮) বগুড়া সদরের নিশিন্দারা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মোফাজ্জল হোসেনের পুত্র দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুর বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মনজুরকে বিভিন্ন ধরনের নেশাদ্রব্য সহ নিয়মিত ইয়াবা সাপ্লাই দেয় মর্মে জনসাধারণ ও পুলিশকে জবাববন্দি দিয়েছে। এদিকে বগুড়ার রবিন গত ১৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নাবিল কোচে থেকে নেমে সরাসরি দিনাজপুর বীরগঞ্জে এসে উপজেলার দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের কাছে নিয়ে আসে। তিনি রবিনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায়, আমি ইউএনও স্যারের বাসায় যাচ্ছিলাম তাকে ইয়াবা ও মাদক দিতে। তিনি নিয়মিত আমার খরিদ্দার। সে আরো জানায়, আমার মোবাইলে ইউএনও স্যারের মেমোরীকাডে অনেকগুলো রেকর্ডও আছে। আমাকে ছেড়ে দেন স্যার! পরে তাকে থানায় সোপর্দ করে। উপজেলা চেয়ারম্যানের ম্যানেজার মোঃ সাঈদ সিদ্দিকি মিলন বাদী হয়ে এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৩। তারিখ-১৭-০৯-১৫। বিষয়টি দিনাজপুর২৪.কম  কার্যালয়ে একটি মেইল ও কয়েকটি ভয়েজ রেকর্ড এসে  পৌঁছালে সরেজমিনে আমাদের প্রতিনিধি গেলে বার বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাওয়ার জন্য মোবাইল ফোন ও বাসার টেলিফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে স্থানীয় লোকজন সহ সাংবাদিকরা জানায়, ইয়াবা সেবনের ঘটনার কারণে তিনি ফোন ধরছেন না। উনি বর্তমানে কিছুক্ষণের আত্মগোপনে আছেন।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মোবাইল ফোনে জানান, আমি ছুটিতে আছি বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পরে জানাবো ইয়াবা কেনার এবং সেবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জড়িত আছে কিনা ?
সূত্র মতে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়মিত ইয়াবা সেবনের বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তা নাকি ইলেকট্রিক, প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকদের মোটা অঙ্কের টাকাও দিয়েছেন। যেন সংবাদ পরিবেশন না হয়। -ডেস্ক রিপোর্ট