(দিনাজপুর২৪.কম) পশ্চিম মসুলে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লিভ্যান্ট (আইসিল) গ্রুপের বিরুদ্ধে তীব্র সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইরাকের সেনাবাহিনী। এমন অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি। দেশটির শীর্ষ স্থানীয় সেনা কমান্ডার আবদুল আমির ইয়ারাল্লাহর দেয়া তথ্য মতে, রোববার আইসিলের কাছ থেকে ১৭টি গ্রাম উদ্ধার করেছে ইরাকের সেনাবাহিনী। সেখান থেকে তারা মসুল বিমানবন্দরের দিকে বিভিন্ন দিক থেকে অগ্রসর হচিছল। প্রধানমন্ত্রী আবাদি তার টেলিভিশন বক্তব্যে বলেছেন, আমরা নতুন দফায় অপারেশন চালানোর ঘোষণা দিচ্ছি। মসুলের পশ্চিম অংশকে মুক্ত করতে আমরা আসছি নিনেভেহতে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিজাত র‌্যাপিড রেসপন্স ফোর্সের আব্বাস আল জুবারি বলেছেন, স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় তাদের অভিযান শুরু হয়েছে। তারা অগ্রসর হচ্ছিলেন বিমানবন্দরের দিকে। ওদিকে মসুলের দক্ষিণ দিকে বিমান হামলা ও পদাতিক বাহিনীর হামলায় আকাশে কালো ঘন ধোয়া দেখা গেছে। এ সময় কয়েক হাজার বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্য সশস্ত্র অবস্থায় অগ্রসর হচ্ছিল বিমানবন্দরের দিকে। র‌্যাপিড রেসপন্স কর্মকর্তা আলী বলেন, তারা বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। আইসিল বা আইসিস তাদের পরাজয় বুঝতে পেরেছে। তাই তারা যত সম্ভব ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। তারা জানে তাদের সামনে মৃত্য ছাড়া আর কোনো পথ নেই। রোববার উত্তর ইরাকের ইরবিল থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভাইদ বলেছেন, আইসিলের অবস্থান আছে এমন একটি ভবনে বেশ কিছু গ্রুপ হামলা চালিয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী বাহিনী পূর্ব মসুলকে দক্ষিণ এরাক থেকে আলাদা করে ফেলেছেন। উত্তর দিক থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ইরাকের সেনারা। ওই রিপোর্টে তিনি আরও বলেন যে, শহরের পশ্চিমে তখনও অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন সাড়ে সাত লাখ বেসামরিক মানুষ। ওদিকে সেভ দ্য চিলড্রেন সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পশ্চিম মসুলে অবরুদ্ধ প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুকে রক্ষা করতে। এ সংস্থার ইরাক পরিচালক মুরিজিও ক্রাইভালেরো বলেন, চারদিকে বোমা। গুলি বিনিময়। খাবার নেই। এমন অবস্থায় ভয়াবহ এক পরিস্থিতিতে রয়েছে পশ্চিম মসুলের শিশুরা। যদি তারা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। -ডেস্ক