1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  6. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  7. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  8. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  9. news@dinajpur24.com : nalam :
  10. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  11. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  12. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  13. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

‘ইচ্ছা থাকলে ভাগ্যটা এমনিতেই তৈরি করা যায়’

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ২ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। যে নাম শুনলে এখন কোটি বাঙালির চোখে ভেসে আসে জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত ও জয়ের পরে এক স্বর্ণকন্যার কান্না। ওই কান্না প্রতিটি বাঙালির মনকে ছুঁয়ে গেছে, যার জয় কোটি বাঙালি নিজেদের জয় মনে করেছেন। দক্ষিণ এশিয়া গেমসে ভারোত্তোলনে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সোনা জয়ের পরে মাবিয়াকে ঘিরে ছিলো সেই কান্নামাখা আনন্দ সময়।
ভারতের গুয়াহাটির বিজয় মঞ্চে দেশের হয়ে এমন সম্মান অর্জন করে দেশে ফিরেছেন মাবিয়া। দেশে ফিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মাবিয়া। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা ছাড়াও প্রতিদিনই নানা সংবর্ধনা আর সাক্ষাত করে কাটছে ওই স্বর্ণকন্যার সময়। যেখানেই যাচ্ছেন সেখানে তিনি শোনাচ্ছেন তার নানা ঘাত-প্রতিঘাত পাড়ি দিয়ে কীভাবে স্বপ্ন আর সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেন সে গল্প।
স্বর্ণকন্যা মাবিয়া বুধবার এসেছিলেন চ্যানেল আই কার্যালয়ে। মাবিয়ার সাফল্যে চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ তাকে চ্যানেল আইয়ের ব্যাজ পড়িয়ে দেন। এ সময় একান্ত সাক্ষাতকারে মাবিয়া জানালেন নিজের জীবন, সফলতা আর ভবিষ্যত স্বপ্নের কথা।

প্রশ্ন : কেমন আছেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : খুব ভালো আছি।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের হয়ে এমন একটি জয় নিয়ে এলেন কেমন লাগছে?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : আসলে বাংলাদেশে পৌঁছে আমি বুঝেছি, আমি দেশের জন্য কতটুকু সম্মান নিয়ে এসেছি। যখন আমি গুয়াহাটিতে প্রথম স্বর্ণটি জিতলাম তখন মনে হয়েছিলো এটি আমার করার কথা ছিলো। কিন্তু দেশে এসে মানুষের ভালোবাসায় বুঝলাম স্বর্ণটি শুধু আমার পাওয়া কথা ছিলো না, এটি দেশেরও পাওয়ার কথা ছিলো। দেশকে কিছু দিতে পেরেছি এজন্য সত্যিই আমি খুব আনন্দিত।

প্রশ্ন : পরিবারের অনুভূতি কেমন ছিলো আপনার জয়ে?
মাবিয়া আক্তার সামীন্ত : যখন আমি গেমসে গেলাম তখন বাবা-মা খুব ভয় পাচ্ছিলেন। মেয়ে এতোদূর যাচ্ছে কী করবে, পারবে কিনা এ নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন। কিন্তু যখন আমার জয়ের কথা শুনলেন তখন তারা খুব খুশি হয়েছিলেন।

প্রশ্ন : গেমসে যাওয়ার আগে বাবা-মাকে কোনো কিছু বলে ছিলেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : যখন গেমসে যাবো ঠিক একসপ্তাহ আগে আমি হাতে ব্যাথা পেয়েছিলাম। বাবা-মায়ের একরকম মনোবল ভেঙ্গে গিয়েছিলো, কারণ আমি যে খেলাটি খেলি সেটি আসলেই হাতে জোর নিয়ে খেলতে হয় আর সেখানেই আমার প্রচন্ড ব্যাথা। বাবা বলেছিলো, এই ব্যাথা নিয়ে খেলতে যাবি?। আমি তখন বাবাকে বলেছিলাম, বাবা আমি যদি মেডেল না নিয়ে দেশে ফিরি তাহলে ওখানে হাত ফেলে চলে আসবো।’ আসলে মনোবল থাকলে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে, ঠিক যেমন আমি হাতে ব্যাথা নিয়ে করেছি।

প্রশ্ন : এতো মনের জোর কিভাবে পেলেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : মানুষ চাইলে সবকিছুই করতে পারে। যা আমি পেরেছি। ছোটবেলা থেকে মামা আমাকে খেলার প্রতি আগ্রহ দিয়েছেন। মামার অনুপ্রেরণায় আমি এতোদূর এসেছি। তবে আমার চেষ্টা ও মনোবল ছিলো। কারণ আমি যে পরিবেশে মানুষ হয়েছি, সেই পরিবেশে মেয়েরা খেলবে এটা কেউ মেনে নিতে চাইতো না। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে অনেকেই বিভিন্ন কথা বলতো। নিজের শক্ত মনোবল ও সমস্ত বাধা পার হয়ে খেলাধুলা করতে পেরেছি। এরপর আমাকে যারা প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তাদের কাছেও আমি আজ ঋণী। তারা যদি আমাকে ভালোভাবে প্রশিক্ষণ না দিতেন তাহলে আমি আজ এমন সাফল্য নিয়ে আসতে পারতাম না।

প্রশ্ন : ছোটবেলায় থেকেই কি ভারোত্তোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : ছোটবেলা থেকেই মাঠে-মাঠে খেলার অভ্যাস ছিলো আমার। এজন্য বাবা-মায়ের কাছে বকা খেতাম। এরপরও খেলতাম। ছোটবেলায় আমি এক্কা দোক্কা, মারবেল, বউচি, কানামাছি এসব খেলা খেলতাম।

প্রশ্ন : তাহলে এই খেলা কেনো বেছে নিলেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : ভারোত্তোলন বেছে নিয়েছি আমার মামার বন্ধু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ওয়েটলিফটিং’র কোচের ফারুক সরকার কাজল স্যারের কাজ থেকে। আর শাহরিয়ার সুলতানা সুচির কাছে আমার হাতে খড়ি।

প্রশ্ন : এবারের দক্ষিণ এশিয়া গেমসে চারটির মধ্যে তিনটি স্বর্ণ জিতেছে মেয়েরা, বিষয়টি কেমন লাগছে আপনার?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : গেমসে প্রথম স্বর্ণে আমি জিতলাম এরপর বিকেলেই শুনলাম বাংলাদেশের আরো একটি স্বর্ণ জয় তাও আবার মেয়ে। শুনেই খুব আনন্দ হয়েছে। সাধারণত মেয়েরা এসব খেলায় পিছিয়ে থাকে সেখানে এবারের এশিয়া গেমসের আসরে তিনটি স্বর্ণ মেয়েরা জিতেছে এতে আমি খুব গর্বিত। এবং এর মাধ্যমে মেয়েদের খেলাধুলার পথের বাধা অনেকটা কেটে গেছে।

প্রশ্ন : আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : অলিম্পিকে অংশ নিতে চাই। এপ্রিলে আমাদের প্রতিযোগী বাছাই, সেখানে টিকে গেলে আগস্টে অলিম্পিক গেমস খেলার সুযোগ আসবে। সেখানে ভালো কিছু করে দেখাতে চাই, বিষয়টি স্বপ্নের মতো আমার কাছে।

প্রশ্ন : ভাগ্য নাকি চেষ্টা, কোনটি দরকার হয় সাফল্য পেতে?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : ভাগ্য ও ইচ্ছা দুটোকেই আমি প্রাধান্য দেবো। মানুষ বলে ভাগ্য থাকলে তুমি এমনেই পারবে। কিন্ত সেখানে ইচ্ছে নেই তাহলে কিন্তু সাফল্য আসবে না। ইচ্ছা থাকলে ভাগ্যটা এমনিতেই তৈরি করা যায়। তবে আমি বলবো সেদিন আমার সঙ্গে ভাগ্যটা কাজ করেছিলো। আমি মনে করি আমার সাফল্যটা ‘গড গিফট’।

প্রশ্ন : এমন অনেক হাজারো মেয়ে রয়েছে যারা স্বপ্ন ছুঁতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য কী বলবেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : মেয়েদের উদ্দেশ্য একটি কথা বলবো, অনেক প্রতিবন্ধকতা আসবে, সব ভেঙ্গে নিজেকে বের করে আনতে হবে। আর পরিবারকে বলবো, আপনার মেয়ে যদি পড়াশুনার পাশাপাশি গায়, নাচ বা খেলাধুলার প্রতিভা থাকে তাহলে সেটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করুন। তাহলে দেখবেন সে তার সফলতা অর্জন করতে পারবে।

প্রশ্ন : ধন্যবাদ আপনাকে।
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: চ্যানেল আই ও চ্যানেল আই অনলাইনের সবাইকে ধন্যবাদ। -ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর