(দিনাজপুর২৪.কম) দ্বিতীয় পর্যায়ের  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যপক সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা  আজ এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।  দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে  দেশের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১০ জন নিহত হন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে নিহত হয়েছিলেন ২১ জন ও   আহত হন ১৫৩৬ জন । বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান  অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও  শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে নির্বাচন কমিশনকে আরো কঠোর ভুমিকা পালন করতে হবে।  গত দুই দফার নির্বাচনে সরকার দলীয়দের সুস্পষ্ট প্রভাব, কেন্দ্র দখল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথীদের হুমকি, মারধর, সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিষয়ে কমিশনের পদক্ষেপ বেশ দুর্বল মনে হয়েছে। সিগমা হুদা বলেন, সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে কেউ সরকারের পুতুল হিসেবে দেখতে চায় না, বরং  তারা দল, মত নির্বিশেষে সকলের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার লক্ষে আরো শক্ত পদক্ষেপ নেবেন। তিনি আমাদের প্রতিবেশি দেশগুলোর কাছ থেকেও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার শিক্ষা গ্রহনের আহবান জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন পূর্ণ শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে যথাযথভাবে তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করলে পরিস্থিতি হয়তো আরো ভালো হতে পারতো। তিনি আশা করেন, আগামী দিনগুলোতে  সবার পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশে সত্যিকার অর্থে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অর্থপূর্ণ স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা প্রথম পর্যায়ে দোহার, টাঙ্গাইল, ঝিনাইদহ, সিলেট ও খুলনার বিভিন্ন ইউনিয়ন এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে।