(দিনাজপুর২৪.কম) ইঁদুরের উপর প্রাথমিক পরীক্ষায় ভাল ফল মিলল কোভিড-৯১ এর একটি প্রতিষেধকের ৷ এক দল মার্কিন গবেষক এই পরীক্ষাটি করেছিলেন ৷ তাঁরা জানিয়েছেন, পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ইঁদুরদের এই প্রতিষেধকটি দেওয়া হলে দু’সপ্তাহের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসকে মোকাবিলা করার জন্য তাদের শরীরে প্রয়োজনীয় একগুচ্ছ অ্যান্টিবডি তৈরি হয় ৷

শর্করা ও প্রোটিন দিয়ে তৈরি ৪০০টি মাইক্রোস্পপিক সূচের অতি ক্ষুদ্র এক ‘প্যাচ’-এর মাধ্যমে প্রতিষেধকটি দেওয়া হয়েছিল ইঁদুরদের ৷ বিজ্ঞানীদের আশা, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনটি জুনের মধ্যে মানবদেহে পরীক্ষার (ট্রায়াল) জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

সিয়াটেলের কাইসার পার্মানেন্ট ওয়াশিংটন হেল্থ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকরা বলেছেন, ভ্যাকসিন এখনও পরীক্ষামূলক স্তরেই আছে। আরও ১৮ মাস সময় লাগবে পুরোপুরি এই ভ্যাকসিনকে বাজারে আনতে। তার আগে প্রতিনিয়ত এর ট্রায়াল চলবে।

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস নিছক সাধারণ কোন ফ্লু ভাইরাস নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জিনের গঠন বদলে প্রতিনিয়ত এই ভাইরাস নিজের চরিত্রই বদলে ফেলছে। এই ভাইরাসের বিশেষ স্ট্রেন সার্স-সিওভি-২-এর স্পাইক প্রোটিন জোড় বাঁধছে মানুষের শরীরের বিশেষ জিনের সঙ্গে। বাহক কোষ বা হোস্ট সেলের সাহায্যেই আরও সংক্রামক হয়ে উঠছে করোনা।

এত বেশি নিজেকে বদলাচ্ছে এই ভাইরাস যে এর মতিগতি বোঝাই অসম্ভব হয় পড়ছে বিশ্বের সেরা ভাইরোলজিস্টদের কাছে। সংক্রমণ রোখার ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়াও তাই বিলম্বিত হচ্ছে।

তবে আশার আলো এটাই যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এমনকি ভারতেও এই মারণ ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার উপায় আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানী-গবেষকরা। কাজও নাকি এগোচ্ছেও অনেকটাই। -ডেস্ক