(দিনাজপুর২৪.কম) ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু গেল, এরপর? পরের ঝড়টির নাম ‘কায়ান্ত’, এরও পরে আসবে ‘নাদা’। জানা গেছে, ভারত মহাসাগর ও সংলগ্ন উপসাগরগুলোর তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো ঠিক করে ঝড়ের নাম। এ দলে রয়েছে মোট ৮টি দেশ যথাক্রমে-বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ড।রোয়ানুর নাম দিয়েছে মালদ্বীপ। এর পরের পালা মিয়ানমারের। তারা ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করেছে ‘কায়ান্ত’। এরও পর আসবে ওমানের পালা। তারাও ঝড়ের নাম নির্ধারণ করে ফেলেছে- ‘নাদা’। এর পর পাকিস্তান। তাদের নির্ধারিত নাম ‘ভারদাহ’। পাকিস্তানের পর পালা শ্রীলংকার। তাদের পূর্বনির্ধারিত ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মারুথা’। এর পরের ঝড়ের নাম নির্ধারণ করেছে থাইল্যান্ড-‘মোরা’।
সাম্প্রতিককালের কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম একটু পর্যবেক্ষণ করলেই বোঝা যায়, তা রাখা হয়েছে নারীদের নামে। যেমন-রিটা, ক্যাটরিনা, নার্গিস, সিডর, রেশমি, বিজলি ইত্যাদি? প্রত্যেকটি মেয়েদের নাম প্রশ্ন জাগতে পারে, মেয়েরা কি এতই বিধ্বংসী? নাকি ইচ্ছা করেই এমন নাম দেওয়া হচ্ছে? তথ্য-উপাত্ত বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর আবহাওয়াবিদরা গ্রীষ্মম-লীয় ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিতে শুরু করেন মেয়েদের নামে। -ডেস্ক