মোঃ ফারুক মিয়া (দিনাজপুর২৪.কম) চলতি ইরি বোরো মৌসুমে পানি সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি সহায়তার জন্য আশুগঞ্জ পলাশ এগ্রো ইরিগেশন প্রকল্পটি গত ১৮ই জানুয়ারী উদ্ভোধন করা হয়। কিন্তু উক্ত প্রকল্পে পানি সরবরাহের আগে ড্রেনে ময়না আবর্জনা ও মাছ ধরার খুটি অবসারণ না করায় উক্ত খুটি গুলোতে আটকিয়ে ভাসমান ময়লার দুর্গন্ধে মানুষের টেকা দায় হয়েছে। পঁচনশীল ময়লা পানিতে ভেসে যাওয়ায় আশেপাশের পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আসংখ্যা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে নাহার গার্ডেনের পার্শ্ববর্তী স্থানে আশপাশের বিভিন্ন খালে বয়ে যাওয়া পানি সবুজখালের অংশে প্রকল্পটিতে ময়লা আবর্জনার স্থুপ ভরে আছে। এবং বাঁশ দিয়ে বাধ দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খালে মাছ ধরা হচ্ছে। আর যার ফলে পানি স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ভাসমান এই সব ময়লা জমিতে গিয়ে পড়লে কৃষি জমি উর্বরতা হারানোর শংকরা দেখা দিয়েছে। আরো উল্লেখ থাকে যে, উক্ত সবুজ প্রকল্পের খাল বিভিন্ন স্থানে উম্মুক্ত হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময় গরু বাছুর, হাস মুরগী ও ছোট বাচ্চারা পরে গিয়ে প্রাণ হানি ঘটনার আসংখ্যা রয়েছে। বাস্তবত খালটির পানি প্রবাহের জন্য দুই মাছ ব্যবহার করা হয় ঐ সময় বিএডিসির কিছু লোক খালটির তথ্যাবধানে থাকেন। আরো দেখা গেছে সম্পূর্ণ খালে বয়লার বর্জ নির্গত হওয়া ছাই দিয়ে ভরাট থাকার কারণে পানিতে ছাই মিশে জমিতে ঊর্বরতা হারানোর সংখ্যা রয়েছে কৃষকরার।

এব্যাপারে আশুগঞ্জ সেব প্রকল্পের দায়িত্ব থাকা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ খলিলুর রহমানের সাথে কোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আশেপাশের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের দায়িত্ব আমার না। সেচ মৌসুমে পানি সরবরাহের প্রয়োজনে ২ মাস খাল ব্যবহার করি , পরের সময় খাল দেখার দায়িত্ব আমার না।

উল্লেখ যে, সেচ মৌসুমে বিএডিসির সেচ প্রকল্পের আওতায় আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি কুলিং রিজার্ভের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অংশ প্রায় ১৫০০০ হেক্টর জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করা হয়। প্রতি বছর ৫৬২৫০ মেট্রিক টন শষ্য উৎপাদন এবং ৩৪১২৫ কৃষক পরিবার উপকৃত হচ্ছে।