(দিনাজপুর২৪.কম) প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৯৬ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। এর জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি, ৩৬ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১২৭ রান। তারা উইকেট হারায় তিনটি। তাই লাল-সবুজের দল যে খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই সেটা বলাই যায়। তৃতীয় দিন মূল ভরসা হয়ে উইকেটে টিকে ছিলেন তামিম ইকবাল। তবে খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না এই বাহাতি ব্যাটসম্যান। দিনের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেলুকায়োর শিকার হলেন তিনি।

শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশে সংগ্রহ চার উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান। মুমিনুল হক ৪৪ রানে ব্যাট করছেন। মমিনুলকে সঙ্গ দিতে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এর আগে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই উইকেটের দেখা পায় স্বাগতিকরা। রাবাদার বুলেট-গতির শর্ট বলে আউট হন ইমরুল। স্লিপে দারুণ ক্যাচ নেন এইডেন মার্করাম। এরপর ভালোই খেলছিলেন লিটন দাস। দ্রুতই কয়েকটি চার মেরে ২৫ রানে পৌঁছে যান তিনি। তবে ১১তম ওভারে মরকেলের আউট সুইংগারে হাশিম আমলার কাছে ধরা পড়েন তিনি।

প্রোটিয়া পেসারদের দাপটে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন তাঁরা। তবে ইনিংসটাকে খুব বেশিদূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি মুশি। দলীয় রান যখন ১০৩, কেশব মহারাজের বলটাকে ভালোভাবে ঠেকাতে পারেননি তিনি। বলটা ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা হয় এইডেন মার্করামের হাতে। ৫৭ বলে ৪৪ রান করেন বাংলাদেশ দলপতি। এরপর তামিম ও মমিনুল দিনের বাকি সময়টাতে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি।

তৃতীয় দিনে ভালোই খেলছিলেন তামিম ও মমিনুল। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫৫ রান যোগ করেন তারা। ৪৬তম ওভারে অভিষিক্ত ফেলুকায়োর বলটা তামিমের ব্যাট লেগে জমা হয় কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসে জমা হয়। ৪১ রান করেন দেশ সেরা এই ব্যাটসম্যান। – ডেস্ক