-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম০ আমেরিকায় অ্যালাবামার সমুদ্রতীরে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় স্যালি। সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। পানিতে ডুবে গেছে বিশাল এলাকা। রাস্তায় পানি। বাড়িতে পানি। সাড়ে পাঁচ লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই।

ক্যাটাগরি টু হারিকেন হিসেবে বুধবার স্যালি ভূমিতে আঘাত হানার পর ঝোড়ো হাওয়ার গতি মন্থর হয়ে আসে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও আলাবামা অঞ্চলে ঝড় অব্যাহত রয়েছে। ধীরগতিতে এসব অঞ্চল অতিক্রম করছে হারিকেন স্যালি। এ ছাড়া স্যালির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।

হারিকেনের প্রভাবে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পেনসাকোলা শহরে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে শহরের একটি সেতু আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরটির অগ্নিনির্বাপণ কর্মকর্তা গিনি ক্রানোর বলেন, ঝড়ের কারণে ‘চার মাসের বৃষ্টি চার ঘণ্টায় হয়েছে’।

আলাবামা অঙ্গরাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে স্যালি আঘাত হানে। এ সময় বাতাসের সর্বাধিক গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০৫ মাইল। বর্তমানে বাতাসের গতি কমে ঘণ্টাপ্রতি ৬০ মাইলে নেমে এসেছে। তবে লাগাতার বর্ষণ এবং ঝড়ের কারণে সৃষ্ট স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জলোচ্ছ্বাসে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ঝড় উত্তর দিকে সরে আসার পর ওই অঞ্চলের অন্তত সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ বুধবার রাত থেকে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।

হারিকেন স্যালি আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট একাধিক ঝড়ের একটি। ইংরেজি বর্ণমালাক্রম অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মহাসাগরে সৃষ্ট হারিকেন বা ঝড়ের নামকরণ করে থাকেন। কিন্তু মহাসাগরে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ায় বার্ষিক বর্ণমালার তালিকার শেষদিকে চলে এসেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সূত্র : বিবিসি ও সিএনএন