স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আলফা এইচ এন্ড ই ডেভেলেপমেন্ট লিঃ  সহযোগী প্রতিষ্ঠান “আমরা গ্রাম ডাক্তার বাংলাদেশ” জরিপ কর্মশালা এবং কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিলে জীবন নাশের কোন ঝুঁকি নেই শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দিনাজপুর বাহাদুরস্থ একটি চাইনিজে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন বোচাগঞ্জ উপজেলা, দিনাজপুরের সহকর্মী ফরহাদ হোসেন পবিত্র গীতা পাঠ করেন বীরগঞ্জ উপজেলার ঝরি রাণী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলফা এইচ এন্ড ই ডেভেলেপমেন্ট লিঃ এর চেয়ারম্যান এস.এন.আকাশ, কোম্পানির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর-দিনাজপুর প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি ও সাপ্তাহিক আওয়ামী কন্ঠের বার্তা সম্পাদক মোঃ নুরুল হুদা দুলাল, কোম্পানির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী, কোম্পানির কমিউকেশন অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম (সিও), অফিস ম্যানেজমেন্ট মৌসুমী আক্তার, মোঃ হিরা প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সিও মোঃ শাহিনুর ইসলাম। অসুস্থ্যজনিত কারণে কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর হালিমা বেগম সাদিয়া উপস্থিত হতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক কষ্ট করে যে করোনা প্রতিরোধ ভ্যাকসিন দেশে এনেছেন তা আপনারা অবশ্যই গ্রহণ করবেন। এই ভ্যাকসিন জীবননাশক ক্ষতিকর নয়। কোন গুজবে কান দেবেন না। বক্তারা আরও বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা থাকা জরুরি, হ্যান্ড সেনিটাইজার, হাতধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার সাথে বাইরে বের হলে নিয়মিত মুখে মাক্স ব্যবহার করতে হবে। সারাদেশে ৮০ভাগ গ্রাম ডাক্তার। তাদের জীবনের মান্নোয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এখন পর্যন্ত কোন প্রনোদনা পাইনি। সারাদেশে করোনা মোবাবেলা করেই গ্রাম ডাক্তাররা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মাুনষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মোঃ নুরুল হুদা বলেন, বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ ও অগ্রগতি কেন্দ্র ১৯৯৭ সাল থেকে বেকার যুবকদের জন্য আর্শীবাদ বয়ে নিয়ে এসেছে। কম্পিউটার, পল্লী চিকিৎসক আরএমপি, এলএমএএফপি, ডিএমএ, প্রাথমিক পশু চিকিৎসক, ভূমি জরিপ, ইলেকট্রিক এন্ড হাউজ ওয়্যারিং সহ বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং বেকার যুবরা স্বাবলম্বী হয়েছে।  বেকার যুবদের বিস্তারিত জানা যাবে এই ওয়েব সাইটে www.bttdc.org, www.vdoctors.org

অনুষ্ঠানটিতে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন জেলা উপাজেলা থেকে আগত কমকর্তা-সহকর্মীদের নিয়ে প্রীজিভোজের আয়োজন করা হয় এবং কোম্পানির ডায়েরী, ব্যাগসহ আনুষ্মাঙ্গিক মালামাল দেয়া হয়|