(দিনাজপুর২৪.কম) ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবশেষ শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ১৮ বছর আরো একটি ট্রফি জয়ের সুযোগ এসেছিলো জামাল-সুফিলদেও সামনে। কিন্তু জেমি ডে’র অতি পরীক্ষা নিরিক্ষায় সেই সুযোগটিও হাতছাড়া হয়েগেলো। নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের কাছে ২-১ গোলে হেরে ট্রফি জয়ের অপেক্ষা বাড়লো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
আত্মঘাতী গোলে কিরগিজস্তানকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিতের পর একেবারে ভিন্ন একাদশ নিয়ে নেপাল বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ফাইনালেও সেই পরীক্ষা নিরিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন বাংলাদেশ দলের বৃটিশ কোচ জেমি ডে। তার পরীক্ষা নিরিক্ষার বলি হয়ে ফাইনালের একাদশে সুযোগ মেলেনি প্রথম ম্যাচের সেরা সোহেল রানার। মাসুক মিয়া জনি ও মাহবুবুর রহমান সুফিল, ডিফেন্সে টুটুল হোসেন বাদশা ও ইয়াসিন আরফাতও ছিলেন অনুপস্থিত।
তার খেসারত বাংলাদেশ দিয়েছে ম্যাচের প্রথমার্ধে।

অনিভিজ্ঞ একাদশ দিয়ে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রথমার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে পরে জামালরা। ম্যাচের ১৮ মিনিটে লিড স্বাগতিকদের। কর্নার থেকে সুনীল বালের শট বক্সের মধ্যে ক্লিয়ার করতে পারেননি বাংলাদেশের মানিক হোসেন মোল্লা। সঞ্জক রায়ের বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া শট গোলরক্ষক আনিসুর রহমানকে বোকা বানিয়ে আশ্রয় নেয় জালে।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বাংলাদেশ কিছুটা এলেমেলোা ফুটবল খেলে। ভুল পাস, ভুল পজিশনের ছড়াছড়ি ছিল। ২৯ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে আগুয়ান গোলরক্ষক জিকোর মাথার উপর দিয়ে ফাকা জালে বল পাঠাতে পারেননি ফরোয়ার্ড অনজন বিষ্ঠা। ম্যাচের ৪২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পায় নেপাল।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে জনি সুফিলরা মাঠে নামলে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮২ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্ণারে বদলি মাহবুবুর রহমান সুফিল গোল করে ব্যবধান কমান। শেষ দিকে জামাল জনিরা চেষ্ঠা করেছেন। কিন্তু ম্যাচের ভাগ্য বদলাতে পারেননি। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ২-১ গোলে। -ডেস্ক