(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম)ঈদের পর চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ২৬ মার্চ থেকে টানা সরকারি ছুটি চলছে। এর মধ্যে ঈদের আগে থেকেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান বিষয়ে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

তাই আপাতত গণপরিবহন খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই অন্যান্য জরুরি সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতোই খোলা রেখে আপাতত চলবে দেশ।

আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ঠিক কতদিনের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও একটি সূত্র জানিয়েছে ছুটি ৮ থেকে ১০ দিন বাড়তে পারে।

ঈদের পর ছুটি না বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের চিন্তা বেশি ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনের করোনা ভাইরাসের কারণে যেভাবে সংক্রমনের হার বেড়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে তাতে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সরকার ছুটি বাড়ানোর কথাই চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও ছুটির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বভাসে বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের এই মহামারী সহসা দূর হবে না। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না। যতদিন না কোন প্রতিষেধক টীকা আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।’

প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও ছুটির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বভাসে বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের এই মহামারী সহসা দূর হবে না। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না। যতদিন না কোন প্রতিষেধক টীকা আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।’

প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রায় সকল দেশই ইতোমধ্যে লকডাইন শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে তো নয়ই।’

‌সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ছুটি বাড়ানো কমানো নিয়ে নানান ধরনের আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি মে মাসের শেষ দিকে কোন ভাইরাসের সবচেয়ে উচ্চহারের সংক্রমণ সবসময় বলে আশঙ্কা করছিল,বাস্তবে হচ্ছেও তাই।

 এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদের আগের দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জীবন ও জীবিকার কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা করে, সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী একটা সিদ্ধান্ত দেবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তটা আসবে আশা করছি। -ডেস্ক রিপোর্ট