সেলিম সোহাগ (দিনাজপুর২৪.কম)  পঞ্চগড় জেলার আটোয়াী উপজেলার রাখালদেবী বামন কুমা আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের চাউলের ডিলার মোঃ আক্তারুজ্জামান সাজু, পিতা- তজির উদ্দীন দশ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করে এ সময় হতদরিদ্র রসন, সেলিনা, সাহেরা, হালেমা, আরও অনেকে ডিলারের কাছে চাল নিয়ে এসে ডিজিটাল পাল্লায় মাপ দেয় চাল মাপের ওজন প্রতি বস্তায় পঁচিশ কেজি। চাল দেওয়ার কথা ৩০ কেজি। তাই এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তিরা চালচাল্য দৃষ্টি করে এবং সাংবাদিকদের ফোন করে নিয়ে যায়। আমরা সাংবাদিকগণ ডিজিটাল পাল্লায় চাল মেপে দেখি ২৫ কেজি করে প্রতি বস্তায় পাওয়া যায়। এই ব্যাপারে ডিলারের সাথে কথা বললে ওনি বলেন, আটোয়ারী খাদ্য গুদাম থেকে পেকেট করা বস্তা নিয়ে এসেছি। এখন যদি কম হয় আমার কোন করার নেই। এই ব্যাপারে আটোয়ারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আসলে রাজনৈতিক দলীয় কোন্দলের কারণে মিথ্যা অপবাদ দেয়। কিন্তু স্থানীয় সুশিল সমাজ বলেন, ১০ টাকায় চাউল দেওয়ার ব্যাপারে দলীয় কোন ষড়যন্ত্র নাই। চাউলের ডিলাকে বাঁচানোর জন্য ভুয়া একটি বক্তব্য দিয়েছেন, তাই আমরা মনে করি হতদরিদ্র মানুষদের চাউল কম দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী ডিলারশীপ বাতিল করা হোক এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হোক। কেজির ব্যাপারে এই ব্যাপারে গরিব দুস্থদের জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ১০ টাকা কেজি দরে চাল অসহায় এবং দুস্থ মানুষের মাঝে বিক্রির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চাল কম হওয়ার কারণে মোঃ বুধু, পিতা- মৃত ছুটু, গ্রাম- আটোয়ারী বামন কুমার, আলোয়াখোয়া রাখালদেবীর স্থায়ী বাসিন্দার সে একজন হতদরিদ্র মানুষ তার চাল কম হওয়ায় বাদী হয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক বরাবরে দরখাস্ত প্রেরণ করেন। অনুলিপি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, খাদ্য মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মাননীয় সংসদ সদস্য, পঞ্চগড়-১, জেলা রিপোর্টাস ক্লাব, পঞ্চগড় বরাবরে প্রদান করেন। সেই মোতাবেক গত ১০/০৯/২০১৮ইং তারিখ রোজ-সোমবার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের রাখালদেবী বাজারে ডিলারের নিজ গুদামে মাল বিতরণ করেন। এই ব্যাপারে আইনের দৃষ্টিগোচর করা গেল।