(দিনাজপুর২৪.কম) আজ ৩০ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নিহত হন তিনি। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ছিল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। রাষ্ট্রপতি জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। দেশকে যখন তিনি সামনের দিকে নিয়ে চলেছেন সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। ১৯৮১ সালের ২৯ মে তিনি এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। বিপথগামী সেনা সদস্যরা তার লাশ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়। তিনদিন পর ওই লাশ উদ্ধার করে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে এনে দাফন করা হয়।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্ট বাংলা রেজিমেন্ট- ইপিআরের বাঙালি পল্টুনের মেজর ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের জন্য স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি প্রথমে জাতীয় গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) এবং ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি গঠন করেন। -ডেস্ক