(দিনাজপুর২৪.কম) এফবিআই প্রধান জেমস কমি’কে বরখাস্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগুন নিয়ে খেলছেন। কুখ্যাত ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রথম যে পথে হেঁটেছিলেন তিনিও সেই একই পথে পা বাড়ালেন। এ পথ অভিশংসিত হওয়ার পথ। অনলাইস সিএনএনে এসব কথা লিখেছেন সিএনএন-এর আইন বিশ্লেষক পল কালান। তিনি বর্তমানে নিউ ইয়র্কের আইনি প্রতিষ্ঠান এডেলম্যান অ্যান্ড এডেলম্যান পিসি’র কাউন্সেল। কাজ করছেন অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা ব্যক্তির অধিকার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে। তিনি সিএনএনে এক মতামত কলামে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গৃহীত পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন। ‘ইন ফায়ারিং কমি, ট্রাম্প ইজ প্লেইং উইথ ফায়ার’ শীর্ষক নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, (রাশিয়া কানেকশন নিয়ে) তদন্ত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হতে পারে। কমি’কে এমন সম্ভাবনা থেকে সরে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সে আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাই জেমস কমিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আরো লিখেছেন, ইতিহাসবেত্তারা একদিন ২০১৭ সালের ৯ই মে’কে স্মরণ করবেন। আমেরিকার ইতিহাসের এক চরম দিন হিসেবে স্মরণ করা হবে এ দিনটিকে। এফবিআই পরিচালক জেমস কমিকে বরখাস্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট এমন কিছু ইভেন্ট সামনে নিয়ে এসেছেন, যা আরো বিতর্ক সৃষ্টি করবে। প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ার এক বছরের কম সময়ের মধ্যে তিনি অভিশংসিত হতে পারেন। খুব বেশি সম্মানিত সাবেক ভারপ্রাপ্ত এটর্নি জেনারেল রড রোজেনস্টেইনকে দিয়ে কমি’কে বরখাস্তের পথ দ্রুততার সঙ্গে করিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও এটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস। তিন পৃষ্ঠার ডকুমেন্টে রোজেনস্টেইন যা করতে পারতেন তা হলো এখন প্রাচীন রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরতে। জেমস কমির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল তদন্তে আইন মন্ত্রণালয়ের নীতি ভঙ্গ করেছেন। তার এই ‘পাপ’ ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের কয়েক মাস আগের অনুসন্ধানকে ঘিরে। জেমস কমিকে এফবিআইয়ের পরিচালকের পদে অব্যাহত রাখার জন্য ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেয়ার অনেক আগে থেকেই এসব বিষয় সবার জানা হয়ে গিয়েছিল এবং প্রকাশ্যে এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এফবিআইয়ের পরিচালকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হিলারি ক্লিনটনের জন্য ভাল হয়েছে। -ডেস্ক