(দিনাজপুর২৪.কম) সামনেই পহেলা বৈশাখ। ইতোমধ্যে রাজধানীসহ সারাদেশের বাজারে ইলিশের দামে বৈশাখের হাওয়া লাগতে শুরু করেছে। পান্তা-ইলিশ উপলক্ষ বানিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিদিনই বাড়ছে এই দাম। আরও দাম বেড়েছে আদা, পটোলসহ কয়েকটি গ্রীষ্মকালীন পণ্যের। এ ছাড়া বাড়তি দামে অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, তেলসহ সবজির দাম।

নববর্ষকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় ইলিশের বাজারে আগুন লেগেছে। এক জোড়া ইলিশ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। ছোট ইলিশের হালি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায়। কিছুদিন আগে বরগুনার পাথরঘাটায় ১ কেজি ৩শ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ প্রকাশ্যে নিলামে এক লক্ষ ষোল হাজার টাকা দামে বিক্রি হয়েছে বলে গণমাধ্যমগুলো জানায়।

জানা গেছে, বরিশাল মোকামে এক কেজি সাইজের ইলিশ ৩ হাজার থেকে ৩২শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম চার হাজার টাকা অতিক্রম করবে বলে ধারণা করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।তবে ইলিশ ঢাকায় পাঠাতেই বেশি আগ্রহী তারা। ককশিটে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করে রাজধানীতে পাঠানো হয়। কেননা নববর্ষ উৎসবে ঢাকায় ইলিশের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। দামও বেশি পাওয়া যায়। তাই বরিশাল আড়ৎ থেকে ট্রাকে করে ইলিশ আসছে ঢাকায়।

এদিকে, মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ(এনইসি) সভা শেষে এনইসি সম্মেলনে কক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, গত মাসে চিনি ও মাংসের দাম বেড়েছে। তাই মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। এখন সবাই ইলিশ কিনবে। এতে চলতি এপ্রিল মাসে দশমিক ০১ শতাংশ হলেও মূল্যস্ফীতি বাড়বে। তবে ইলিশ মাসের দাম যাতে না বাড়ে সে জন্য ভোক্তা সংগঠনও তৈরি হয়ে গেছে। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশ মাছ কম খান।-ডেস্ক