(দিনাজপুর২৪.কম) করোনা মহামারির এই সময়টাতে ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের নাম ‘কোয়ারেন্টিন’। এই কারণে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফরটা এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। কোয়ারেন্টিনের ফাঁদে পড়েছেন আইপিএলে অংশ নেয়া অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের একটি অংশ। যারা সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ। চার্টার্ড বিমানে করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ২১ ক্রিকেটার বৃহস্পতিবার পৌঁছান ত্রয়োদশ আইপিএলের আয়োজক আরব আমিরাতে। তার আগেই অবশ্য তারা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে ৬ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন শিথিলের আবেদন করে। বিসিসিআই সেটা আমলে নিয়ে শিথিলও করেছে। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের জন্য শিথিলতা বজায় থাকেনি।

কলকাতা ও মুম্বই ছাড়া বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটাররা দেড় দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

আর কলকাতা ও মুম্বইয়ের ক্রিকেটারদের জন্য ৬ দিনই বহাল থাকছে। কেন এই বিপরীতমুখী নীতি? কলকাতা ও মুম্বই ঘাঁটি গেড়েছে আবুধাবিতে। বাকি দুই ভেন্যু দুবাই ও শারজাহ’র স্থানীয় প্রসাশনকে বিসিসিআই রাজি করাতে পারলেও ব্যর্থ হয়েছে আবুধাবির ক্ষেত্রে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা জীবাণু-সুরক্ষিত পরিবেশের মধ্যেই ছিলেন- এই বিষয়টি সামনে এনে বিসিসিআই কোয়ারেন্টিন কমিয়ে আনার অনুরোধ করলে মেনে নেয় দুবাই ও শারজাহ। আবুধাবি বিসিসিআইয়ের অনুরোধে সাড়া না দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে কলকাতা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা পাবে না এউইন মরগান, প্যাট কামিন্স ও টম ব্যান্টনকে। নাইট রাইডার্সের প্রথম ম্যাচ আগামী ২৩শে সেপ্টেম্বর, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে। তবে মুম্বইয়ের কোনো খেলোয়াড় এখন বাইরে থেকে আসেনি, তাই তাদের কোয়ারেন্টিন নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই। -ডেস্ক