নুসরাত জাহান ও নিখিল জৈনের সঙ্গে সৃজিত-মিথিলা। ছবি : ফেসবুক থেকে নেওয়া

(দিনাজপুর২৪.কম) আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পূজা মণ্ডপে ঢোকার অভিযোগে আইনি ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছেন নির্মাতা সৃজিত মুখার্জী-মিথিলা দম্পতি। তাদের সঙ্গে আরও আইনি ঝামেলায় পড়ছেন পার্লামেন্ট সদস্য নুসরাত জাহান ও তার স্বামী নিখিল জৈনও। শনিবার পূজামণ্ডপের ‘নো এন্ট্রি জোনে’ ঢুকে অঞ্জলি দিয়ে আদালত অবমাননার দায়ে আইনি প্যাঁচে পড়তে যাচ্ছেন তারা- এমনটাই জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যম আনন্দবাজার।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নিউ আলিপুরের সুরুচি সঙ্ঘের পূজায় অঞ্জলি দিতে গিয়েছিলেন নুসরত, সৃজিত, মিথিলা। ছিলেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈনও। ওই পূজাটি মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পূজা বলেই সমধিক পরিচিত। প্রতিবারই সেখানে বিভিন্ন সেলিব্রেটিরা যান অঞ্জলি দিতে এবং ঢাকের তালে নাচতে। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি আলাদা।

এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত পূজা মণ্ডপ ‘দর্শকশূন্য’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা এবং পূজার উদ্যোক্তা ছাড়া কেউ ‘নো এন্ট্রি জোনে’ ঢুকতে পারবেন না। তাদের সংখ্যাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, ‘বহিরাগত দর্শকদের’ প্রবেশ নিষিদ্ধ।

খবরে আরও বলা হয়েছে, আদালতের ‘নির্দেশ’ ভেঙে নুসরাতদের ওই মণ্ডপে ভিড় করার ঘটনাকে আদালতে ‘হাতিয়ার’ করতে চলেছেন পূজো মামলার আইনজীবীরা। মামলার আবেদনকারীর আইনজীবীদের বক্তব্য স্পষ্ট- আদালতের নির্দেশ সকলের জন্যই প্রযোজ্য। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ম মানার ক্ষেত্রে আরও ‘সদর্থক এবং ইতিবাচক’ ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যায়নি।

নুসরাত ঘনিষ্ঠরা অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি গত কয়েক বছর ধরেই ওই ক্লাবের সদস্য। তাই তিনি কর্মকর্তাদের তরফে ‘নো এন্ট্রি জোনে’ ঢুকতেই পারেন। একইভাবে সৃজিতকেও ‘ক্লাব সদস্য’ বলেই বর্ণনা করেছেন তার ঘনিষ্ঠরা। কিন্তু নুসরতের স্বামী নিখিল এবং সৃজিতের স্ত্রী মিথিলা সম্পর্কে তা বলা যায় কি-না, তা নিয়ে তর্কের অবকাশ রয়েছে। মিথিলা আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। সৃজিতের সঙ্গে মাত্রই কয়েকমাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। তিনি কি ওই ক্লাবের সদস্য হতে পারেন? একই প্রশ্ন তোলা হয়েছে নুসরাতের স্বামী নিখিলের বেলায়ও।-ডেস্ক