মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকায় শতাধিক বৈধ অবৈধ কয়লা বিক্রির সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। অনেকে চোরাই কয়লা ক্রয় করে কোটি পতি। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা উৎপাদনের শুরু থেকে অনেকে জানত না এই কয়লা এক সময় সোনার দামে বিক্রি হবে। বাস্তবে এখন কয়লা সোনার দামে বিক্রি হচ্ছে। এখানে রেলওয়ের জায়গা ও সড়ক ও জনপদে জায়গা অবৈধভাবে দখল করে সেখানে খুপড়ি ঘর গড়ে তুলে অনেকে বৈধ অবৈধ ভাবে চোরাই কয়লা ক্রয় করে মজুদ রেখে ইট ভাটার মালিক ও অন্যান্য লোকজনের কাছে চড়া দামে বিক্রি করছে। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকায় কালো টাকার মালিকেরাও জায়গা ক্রয় করে সেখানে কয়লা মজুদ রেখে সেই কয়লার ভিতর পানি থেকে উত্তোলন কৃত ডাস্ট, ভালো কয়লার সাথে মিশ্রিত করে বিক্রি করছে। অপরদিকে এলাকার কতিপয় ব্যক্তি রেলওয়ের জায়গায় খাল খুড়ে রেখে দিয়েছে। এদিকে ভূ-গর্ভ থেকে উত্তোলনকৃত পানি ও কয়লার এ্যাশ বাহির হয়ে যাওয়ার পথে সেখানে জমা হয়। প্রতি মাসে প্রত্যেকটি খাল থেকে ঐ এ্যাশ উত্তোলন করে ভাল কয়লার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করছে। অনেক ভাটা মালিকদের কাছে। সেই কয়লা কিনে ভাটা মালিকেরা ঠকছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লার সাথে উত্তোলনকৃত কিছু পাথর উঠে আসে। সেই কালো পাথর নিয়ে গিয়ে মেশিনে ভেঙ্গে ভাল কয়লাতে মিশিয়ে বিক্রি করছে। অনুরুপ ঘটনা বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ  কেন্দ্রে ভারত থেকে আমদানীকৃত কয়লা এনে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করলে প¬ান্টের অফুরন্ত ক্ষতি হয়। তখন কর্তৃপক্ষ সেই পাথর মিশ্রিত কয়লা ব্যবহার বন্ধ করে দেন। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফার লোভে সেই পাথর মিশ্রিত কয়লা ক্রয় করে বিক্রি করতে না পারায় পরবর্তীতে মেশিনে ভেঙ্গে দেশীয় ভাল কয়লার সাথে ২০১৫ সালে কয়লা সংকট দেখা দিলে ঐ কয়লা বিক্রি করেন। বর্তমান কয়লা খনিতে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে দেদারছে বেশ কয়েকজন চুটিয়ে ব্যবসা করে এখন ঐ ব্যক্তিরা কোটিপতি।