(দিনাজপুর২৪.কম) প্রায় দুই দশক আগের কথা। কলকাতায় রাস্তার পাশে একটি কন্যাশিশুকে পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন পথচারী। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে দেওয়া হয়।

অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর কাছে খবরটি পৌঁছালে তার মনে যেন কেমন এক অস্থিরতা কাজ করে। একপর্যায়ে শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মিঠুন ও তার স্ত্রী যোগিতা বালি। ওইদিনই ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এই তারকা দম্পতি।

এরপর ছোট্ট রুগ্ন শিশুটিকে সারারাত কোলে নিয়ে বসে বিভিন্ন আইনি সমস্যা মেটান তারা। বাড়িতে নিয়ে আসেন ওই শিশুকন্যাকে। নাম রাখেন দিশানী চক্রবর্তী। ধীরে ধীরে মিঠুনের পরিবারের সবার কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন ছোট্ট দিশানী।

বাবার সঙ্গেও দারুণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। তিন ভাই মহাক্ষয়, উষ্মে ও নমশীরও তাকে আগলে রেখে বড় করেছেন। মায়ের স্নেহেরও কমতি ছিলো না কখনও।

সেই ছোট্ট দিশানী এবার সদ্য যৌবনে পা দিয়েছেন। এবার তিনি সিনেমাকে নিজের ধ্যানজ্ঞান করতে চান বলে শোনা যাচ্ছে। প্রস্তুতি নিতে বর্তমানে নিউইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমিতে পড়াশোনা করছেন দিশানী। পরিবারে বাবা বড় অভিনেতা। মেয়েও লক্ষ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এভাবে এগিয়ে যেতে পারলে বলিউডে দিশানী অনেক দূরে যেতে পারবেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আগে মিডিয়ার থেকে যতোটা পেরেছেন দূরে থেকেছেন। কিন্তু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে যে খবরে থাকা চাই- এটা ভালো করেই বুঝে গেছেন মিঠুনকন্যা। তাই ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয় এই হবু তারকা।

দিশানীর ফ্যাশন সেন্স নিয়েও ভূয়সী প্রশংসা করছেন সমালোচকরা। বড় বড় তারকা, পরিচালক, প্রযোজকদের সঙ্গে বেশ সুসম্পর্ক তার। এখন শুরু এগিয়ে যাওয়ার পালা। -ডেস্ক