-ফাইল ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) দেশের অধস্তন আদালত পাঁচ কার্যদিবসে দশ হাজার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছে। বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের মামলায় করা আসামিদের জামিন আবেদনের উপর শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত দুই দিনে দেওয়া হয়েছে সাত হাজার আসামির জামিন।

সোমবার অধস্তন আদালত থেকে ৩ হাজার ৬৩৩ জন এবং রবিবার ৩ হাজার ৪৪৭ জন আসামি জামিন পান। অধস্তন আদালতের বিভিন্ন ভার্চুয়াল কোর্ট ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শুনানি নিয়ে এই জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেয়। গতকাল রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান।

তিনি বলেন, দেশের কারাগারে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি রয়েছে। বন্দির চাপ কমাতে এই জামিন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কারণ করোনাকালে আদালতে সাধারণ ছুটি চলছে। এ অবস্থায় ভার্চুয়াল কোর্টে সীমিত পরিসরে বিচার কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

গত ১০ মে অধস্তন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এরপরই অধস্তন আদালতের কোর্ট গুলোতে শুধু জামিন শুনানি করছেন বিচারকরা। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ১১ মে থেকে আইনজীবীরা ই-মেইলের মাধ্যমে অধস্তন আদালতগুলোতে জামিনের দরখাস্ত দাখিল করছেন।

আটটি বিভাগের জেলা ও দায়রা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, শিশু আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ও চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত চার দিনে ১৬ হাজার ৪৪২ টি জামিনের আবেদন দাখিল করেন আইনজীবীরা। দাখিলকৃত আবেদনের মধ্যে খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, চুরির মামলাসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে।

এসব আবেদনের উপর শুনানি নিয়ে গত পাঁচ কার্যদিবসে ১০ হাজার ৫৮ জনকে জামিন দেন বিচারকরা। এছাড়া খারিজ করা হয়েছে এক হাজারের উপর জামিন আবেদন। জামিনপ্রাপ্তদের অধিকাংশই কারামুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে। -ডেস্ক