(দিনাজপুর২৪.কম) জীবনকে আরও কিছুটা সহজ করে দিয়েছে অনলাইন কেনাকাটা। এতে সময় যেমন বাঁচে, তেমনি বাঁচে পরিশ্রমও। পছন্দের জিনিস এখন ঘরে বসেই পাওয়া যায় অনলাইন কেনাকাটার বদৌলতে। ব্যস্ততায় থাকা মানুষগুলোর জন্য তাই এটি আশীর্বাদস্বরূপ।কিন্তু কিছু মানুষ রয়েছেন যারা সারাক্ষণই অনলাইন থেকে কিছু না কিছু কেনার চেষ্টায় থাকেন। জামা, জুতো থেকে শুরু করে অপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিসও স্বভাববশত কিনে ফেলেন তারা। এমনকি হাতের কাছেই পাওয়া যায় এমন জিনিস কিনতেও ভরসা রাখেন অনলাইন কেনাকাটায়।

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, যারা মাত্রাতিরিক্ত কেনাকাটা করেন তারা আসলে মানসিক বিকারগ্রস্ত, ডিপ্রেশনের শিকার। আর তাই নিজেদের অজান্তেই কেনাকাটা করেন তারা। এই মানসিক সমস্যাটিকে বলা হচ্ছে ‘বাইং শপিং ডিসঅর্ডার’ (BSD)১২২ জনের ওপর চালানো হয়েছিল জরিপ। এরা সবসময় অনলাইন কেনাকাটায় মত্ত। প্রতি সপ্তাহেই তাদের নতুন কিছু না কিছু কেনা চাই। এটি আর কিছু নয় বরং এক ধরনের মানসিক ব্যাধি। মূলত জীবনের কোথাও গিয়ে তারা বড্ড একা। আর তাই কেনাকাটা, সাজগোজ, বাড়ি সাজানো— এসব কাজের মধ্যে দিয়ে নিজেদের মন ব্যস্ত রাখেন।   নিজেদের এই মানসিক সমস্যার কথা তারা নিজেরা টের পান না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শুরুতে সামাল দিতে না পারলে এই পরিস্থিতি অন্য দিকে আগায়। আর তাই সর্বক্ষণ কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকেন এমন মানুষদের অবিলম্বে কাউন্সেলিং করানো উচিত।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এই বিষয়ে পরিবারের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কাছের আত্মীয় ও বন্ধুদের বোঝাতে হবে যে তিনি যা করছেন ঠিক করছেন না। কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপির মধ্যে দিয়ে গেলে এই সমস্যা অনেকাংশে সেরে যায়।কেনাকাটা কমাতে প্রয়োজনে মোবাইল থেকে কিছু অ্যাপস আনস্টল করে দিন। যেই অর্থ দিয়ে অপ্রয়োজনীয় পোশাক কিংবা প্রসাধনী কিনছেন তা সঞ্চয় করুন পরবর্তী সময়ের জন্য। -ডেস্ক